হরিশ্চন্দ্রপুর দৈনিক বাজারে বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত, ক্ষোভে ফুঁসছেন বাসিন্দারা👇👇

তুহিন, বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭, হরিশ্চন্দ্রপুর:

মালদহ জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের দৈনিক বাজার দু’টি পরিকাঠামোগত নানান সমস্যায় দীর্ঘদিন ধরেই ধুঁকছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিদিন সেখানে বাজার করতে গিয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বাসিন্দাদের দাবি, স্থানীয় প্রশাসনের কাছে এই বিষয়ে একাধিকবার অভিযোগ জানানোর পরেও কোনও কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।
হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান তৃণমূল কংগ্রেসের রিসবা খাতুন বলেন, জায়গা খুব ছোট হওয়ায় বাজার চত্বর ঘিঞ্জি হয়ে আছে। অত্যন্ত সংকীর্ণ জায়গায় সবরকম পরিকাঠামো করা সম্ভব হয়নি। জায়গার অভাবে জল নিকাশি নালাও করা যায়নি। তবে বাজার চত্বরের সার্বিক উন্নয়নে গ্রাম পঞ্চায়েত আগামী দিনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সদর এলাকায় দৈনিক বাজার দু’টি জায়গায় রয়েছে। একটি হরিশ্চন্দ্রপুর হাইস্কুলের কাছে যা ডেলি মার্কেট নামে পরিচিত। অপরটি থানার সামনে বসে। ডেলি মার্কেটের জায়গা খুব ছোট হওয়ায় ওই বাজার চত্বর ঘিঞ্জি হয়ে আছে। ফলে ভিড় বাড়লে চলাচল করতে ও কেনাকাটা করতে সমস্যা হয়। এলাকার মানুষকে দৈনন্দিন আনাজপাতি কেনাকাটা করতে বাজারে যেতে হয়। কিন্তু বাজারে যাওয়া মানেই দুর্ভোগের মুখে পড়া। বাজারে কোনও জল নিকাশি ব্যবস্থা নেই। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই বাজার চত্বরে জল জমে যায়। জলকাদা ভেঙে বাসিন্দাদের বাজার করতে হয়। স্থায়ী কাঠামোযুক্ত কয়েকটি দোকানপাট আছে। যা দীর্ঘদিন আগে তৈরি করা হয়েছিল। সম্প্রতি কোনও স্থায়ী কাঠামো তৈরি না হওয়ায় ত্রিপল দিয়ে অস্থায়ীভাবে দোকান খোলা হয়। এমন প্রচুর দোকানপাট গজিয়ে ওঠায় বাজার চত্বর একেবারে ঘিঞ্জি হয়ে গিয়েছে। এছাড়াও স্থানাভাবের জন্য রাস্তার ওপরে দোকান বসে। বাজারে একটিমাত্র শৌচালয় থাকলেও সেটি ভেঙে পড়েছে। নিয়মিত সেটি পরিষ্কার করা হয় না।
দৈনিক বাজারে যাওয়ার রাস্তারও দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থা রয়েছে। গোলা মোড় থেকে গোপাল কেডিয়া মোড় পর্যন্ত রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরেই ভেঙেচুরে আছে। এই রাস্তা অতিক্রম করেই স্থানীয় বাসিন্দাদের দৈনিক বাজারে যাতায়াত করতে হয়। রাস্তা সংস্কার করার কোনও উদ্যোগ প্রশাসন নেয়নি বলে অভিযোগ উঠছে। এসমস্ত কারণেই স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভে ফুঁসছেন।
হরিশ্চন্দ্রপুর থানার সামনে একটি দৈনিক বাজার বসে। এই বাজারটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কোনও সরকারি উদ্যোগ নেই বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের। অস্থায়ী ছাউনি দিয়ে দোকানপাট চালান ব্যবসায়ীরা। বৃষ্টি হলে ত্রিপল দিয়ে কোনওরকম জল আটকানো হয়। একপ্রকার ভিজেই ক্রেতা-বিক্রেতাদের কেনাবেচা করতে হয়। রাস্তা, জল নিকাশি ব্যবস্থা কিছুই নেই এখানে। সামান্য বৃষ্টিতে বাজার চত্বরে জল জমে যায়। জলকাদা ভেঙেই মানুষকে বাজার করতে হয়। তাই এলাকার বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরেই দৈনিক বাজার দু’টির পরিকাঠামো উন্নত করার দাবি করে আসছেন।

উত্তর দিনাজপুর জেলার স্কুল ভিত্তিক তৃতীয়বর্ষে কিক বক্সসিং খেলার আয়োজন করা হয়েছে ইটাহার ব্লকে

নিজস্ব প্রতিবেদক, বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭,ইটাহার :

১৯মে ইটাহার : উওর দিনাজপুর জেলার স্কুল ভিত্তিক কিক বক্সসিং তৃতীয় বষ’ খেলার আয়োজন করা হয়েছে ইটাহারে। এদিন উওর দিনাজপুর কিক বক্সসিং এ্যাসোসিয়েশ এর উদ্যেগে ইটাহার ব্লকের দুগা’পুর পাবলিক স্কুলে এদিনের খেলার আয়োজন করা হয়, এদিনের খেলায় জেলার সাতটি বিদ্যালয়ের ১০০ জন ছাত্রছাত্রী কিক বক্সসিং খেলায় অংশ গ্রহন করেন, এদিন খেলার প্রদিপ জালিয়ে সূচনা করেন রায়গঞ্জ 4th ব্যাটেলিয়ান এর আধিকারিক শম্ভু পাল, ছিলেন বিদ্যালয়ের সভাপ্রতি শ্যামল ব্রম্ব, বিদ্যালয়ের পিনসিপাল সুরজ জয় সওয়াল, বক্সসিং এ্যাসোসিয়েশন সভাপ্রতি মনোজ রায়, বিশ্বনাথ রায় প্রমুখ, বিদ্যালয় ও খেলার আয়োযক দের তরফে জানান আজকের খেলায় যারা স্হান করবে তারা আগামী দিনে জাতীয় স্তরে কিক বক্সসিং খেলায় অংশ গ্রহন করবে, এর আগেও ২০১৮, জাতীয় স্তরে কিক বক্সসিং খেলায় দুগা’পুর পাবলিক স্কুলের দুই ছাত্র, শাগ্নিক সাহা দ্বিতীয় শ্রেনীর ছাত্র জাতীয় স্তরে দ্বিতীয় হয়, ও লিটন মহম্মদ ক্লাস ফোরের ছাত্র জাতীয় স্তরে চতুর্থ হয়ে জেলায় তাক লাগিয়ে দেয়।

হরিশ্চন্দ্রপুর মশা ও পতঙ্গ বাহিত রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা

তুহিন, বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭, হরিশ্চন্দ্রপুর:

ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, ম্যালেরিয়া,কালাজ্বর ও গোদ রোগের মতো মশা ও পতঙ্গ বাহিত রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা তৈরীতে উদ্যোগ নিল মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর – ১ নং ব্লক। শনিবার হরিশ্চন্দ্রপুর – ১ নং ব্লকের সাতটি গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট সত্তর জন গ্রামীণ সম্পদ কর্মীদের নিয়ে এই সচেতনতামূলক কর্মসূচি হয় । গ্রামীণ সম্পদ কর্মীরা এই সেবামূলক প্রকল্পে গ্রামগুলিকে মশা ও পতঙ্গ বাহিত রোগ মুক্ত করার উদ্যোগ নেয়।

এদিন এই সচেতনতামূলক কর্মসূচি প্রকল্পে উপস্থিত ছিলেন হরিশ্চন্দ্রপুর – ১ নং ব্লকের প্রধান বিডিও অনির্বাণ বসু ও জয়েন্ট বিডিও মধুরিমা চৌধুরী , হরিশ্চন্দ্রপুর হাসপাতালের বিএমওএইচ এ কে মন্ডল ও ব্লকের সাতটি পঞ্চায়েতের সেক্রেটারী ও এক্সিকিউটিভ সরকারি আধিকারিকরা ।

হরিশ্চন্দ্রপুর হাসপাতালের বিএমওএইচ এ কে মন্ডল জানান অফিস, ব্লক, হাসপাতাল, চৌমাথা মোড় ও গ্রামগুলিসহ গুরুত্বপূর্ণ বাস স্ট্যাণ্ড গুলিতে দীর্ঘ দিন জমে থাকা আবর্জনা পরিস্কারের জন্য উদ্যোগ নেওয়া ও জনসাধারণকে এই ব্যাপারে সচেতনতা করার জন্য আহ্বান জানান ।

এছাড়াও গ্রামীণ সম্পদ কর্মীরা গ্রামে গ্রামে গিয়ে মশার আঁতুড় ঘর হিসেবে পরিচিত গ্রামের ড্রেণ,জমে থাকা জল, জলাশয় ও আবর্জনা গুলিতে চুন ও ব্লিচিং পাউডার ছড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। একই সঙ্গে এদিন গ্রামীণ সম্পদ কর্মীরা ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোগ প্রতিরোধে সাধারণ মানুষকে আরো সচেতন হওয়ার আবেদন জানায়।

বিডিও অনির্বাণ বসু জানান প্রকল্পটি শুরু হবে জুন মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে ।গ্রামীণ সম্পদ কর্মীরা গ্রামের প্রতিটা সংসদে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করে নিজ নিজ গ্রাম পঞ্চায়েত সেক্রেটারিকে জানাবে এবং পঞ্চায়েত থেকে ব্লককে জানাবে ।

৪০০ বছর পূরানো ঐতিয্যবাহী সামিনাথ মেলা অনুষ্ঠিত হল ইটাহারে👇👇👇

নিজস্ব প্রতিনিধি, বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭,ইটাহার :

 

১৮ মে, ইটাহার : বুদ্ধ পূর্নীমা তীথিতে ৪০০ বছর পূরানো ঐতিয্যবাহী সামিনাথ মেলা শুরু হলো ইটাহারে। উল্লেখ্য, তৎকালিন ইটাহার থানার চুড়ামোনের জমিদার কৃষ্ণ চন্দ্র রায়চৌধুরী সপ্নাদেশে পেয়ে সামিনাথ পূজার সূচনা করেন ইটাহার থানার দুর্গাপুর অঞ্চলের হাসুয়া গ্রামে। তারপর তার ছেলে ভূপাল চন্দ্র রায় চৌধুরি এই পূজা করেন দীর্ঘ দিন ধরে। তবে বর্তমানে জমিদারি প্রথা ও জমিদার না থাকলেও ভূপাল চন্দ্র রায় চৌধুরির ছেলে পার্থ রায় চৌধুরীরা, সিদ্ধার্থ রায় চৌধুরী, অভিশেখ রায় চৌধুরী সহ অনেকে এই পূজা চালিয়ে যাচ্ছেন যথাযত নিয়ম আর্চার সাথে। তবে বছরের প্রতিদিন নিয়ম মাফিক পূজা অর্চনা মন্দিরে করা হলেও বছরের বাৎশরিক পূজা প্রতিবছর বুদ্ধ পূর্নিমা তে হয়। শনিবার থেকে শুরু হল বাবা সামিনাথের বিরাট মেলা। বাবা সামীনাথের কষ্ঠি পাথরের মূর্তি সোনা ও রুপার অলঙ্কারে সুসজ্জিত করা হয় পূজার সময়। এই পূজা দিনে দিনে আরো ঐতিহ্যবাহী হয়ে ওঠায় মেলা চার দিনের পরিবর্তে চলবে আগামী দশ দিন। মেলাকে ঘিরে মেলা প্রাঙ্গনে বিভিন্ন রকমারি দোকান, নাগর দোলা, যাত্রা পালা সহ মুখরচক খাবারের দোকান পাট বসে ফলে মেলা কে ঘিরে উত্তর ও দক্ষিন দিনাজপুর জেলা, সহ অন্যান্য জেলা ও পাশ্ববর্তী রাজ্য বিহার, বাংলাদেশ, আসাম থেকেও বহু ভক্ত আসেন পুজা দিতে ও মেলা দেখতে । জমিদার বংশের সবাই থাকেন কোলকাতাতে। পূজার আগের দিন বংশের সকলে নিজ বাসস্থান দূর্গাপুর রাজবাড়িতে এসে পূজা করে আবার বাড়ি ফিরে যান। চূড়ামনে তাদের রাজবাড়ি এখন প্রায় ধংশস্তুপ। কিন্তু দূর্গাপুরে তাদের রাজবাড়ি এখনো আছে।
মন্দিরের দীর্ঘদিনের পুরহিত প্রদীপ গাঙ্গুলী বলেন, বহু ভক্তের মনোশ কামনায় পূজো দিতে আসেন এই সামিনাথ দেবতার কাছে। তবে বেশির ভাগ লোক সন্তান লাভের জন্য আসেন ও তা পূর্নও হয় দেবতার আর্শিবাদে। তবে মেলার দেখভাল করেন পূজো কমিটির সাথে পুলিশ প্রশাসন, বিভিন্ন সেচ্ছা সেবি সংগঠন, পাশাপাশি ভূপাল চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের এন সি সি র ছাত্ররা।  তবে মেলা প্রাঙ্গনে সাধারন মানুষের জন্য পানীয় জলের ব্যাবস্হা করেন এলাকার ও রায়গঞ্জের অবসর প্রাপ্ত পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী লোকেরা। তবে  এবারেই প্রথম মেলাতে আসা সাধারন মানুষের জন্য অস্হায়ী সৌচালয়ের ব্যাবস্থা করেন রায়গঞ্জ পৌর সভার তরফে ফলে খুশি পূজা কমিটি। তবে মেলাকে ঘিরে মেলা প্রাঙ্গনে পুলিশ পিকেট বসানো হয়েছে। সামি নাথের মেলাকে ঘিরে জমি দারের আত্মীয় সজনরা বাইরে থাকলেও পূজোর সময়ে দুর্গাপুর ভুপাল পুর জমি  দারের আদিবারিতেই আসেন। সেই বংশ ধররায় নীয়ম নিষ্ঠার সঙ্গে পূজা করে আসছেন। হাজার হাজার মানুষের ঢল নামে মেলা প্রাঙ্গনে। মেলা প্রাঙ্গনে পুলিশি ব্যাবস্থা ছিল চোখে পড়ার মতো। (ছবি আছে)

চাঁচলে বিধ্বংসী আগুনে পুড়ে ছাই চারটি ঘর👇👇👇

তুহিন, বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭, চাচোল:

১৮ মেঃ বিধ্বংসী আগুনে পুড়ে ছাই হল দুটি পরিবারের চারটি ঘর। আনুমানিক ক্ষতির পরিমান ১০ লক্ষেরও বেশি। ঘটনাটি ঘটেছে চাঁচল ২ ব্লকের মালতীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের গঙ্গাদেবী গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাত সাড়ে ন’টা নাগাদ স্থানীয় আমজাদ আলি ও তাঁর ছেলে আনারুল ইসলামের ঘরে আগুন লাগে। প্রথমে আমজাদের গোয়াল ঘরে আগুন লাগে। এরপর আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পাশের ঘরগুলিতে। গ্রামবাসীরাই দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। অভিযোগ, খবর দেওয়া সত্ত্বেও দমকল বিভাগ থেকে কোনো সাহায্য আসেনি। স্থানীয় বিধায়ক আলবেরুণী শনিবার সকালে ওই দুটি পরিবারের হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন। চাঁচল ২ ব্লকের বিডিও অমিতকুমার সাউ জানিয়েছেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজনে ক্ষতিগ্রস্তদের পাকা বাড়ি তৈরি করে দেওয়া হবে।

অসহায় যুদ্ধ-বিধ্বস্ত মুসলমানদের ইফতারের জন্য রোনাল্ডো ১২০০ কোটি টাকা দিলেন👇👇👇

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭:

অসহায় যুদ্ধ -বিধ্বংসী মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর জুড়ি মেলা ভার।

এবার তিনি পাশে দাঁড়িয়েছেন মুসলমানদের।

ফিলিস্তিনের যুদ্ধ-বিধ্বস্ত মুসলমানদের ইফতারের জন্য ১২ কোটি টাকা দিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।
শুরু হয়েছে মুসলমানদের পবিত্র মাস মাহে রমজান। এই মাসে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য দীর্ঘ ৩০ দিন সাওম পালন করে থাকেন সারাবিশ্বের মুসলমানরা।

যদিও রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারনে এবার আর আগের মতো শান্তিতে রোজা রাখতে পারছে না ফিলিস্তিনের জনগন।

সেই কারণে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ফিলিস্তিনের মুসলমানদের ইফতারের জন্য নিজেই ১২০০ কোটি টাকা দিয়েছেন এই পর্তুগিজ খেলোয়ার ।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙায় পথ প্রদর্শকের পক্ষ থেকে অভিনব প্রতিবাদ করলেন 👇👇👇

সৌগত মন্ডল,বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭,রামপুরহাট-বীরভূম:

(সাঁইথিয়া-বীরভূম):
গত মঙ্গলবার রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝখানে কলকাতার বিদ্যাসাগর কলেজ, বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার তীব্র প্রতিবাদ জানাল সাঁইথিয়ার পথ প্রদর্শক নাগরিক মঞ্চ। আজ রাত্রে তারা নিজেরাই পোস্টার লিখে, সাঁইথিয়া শহরের প্রতি মোড়ে মোড়ে পোস্টারিং করে শহরের বিভিন্ন জায়গায়,যেমন- রেলস্টেশন, ইউনিয়ন বোর্ড মোড়, বাসস্ট্যান্ড, থানার সামনে, রেলব্রীজ, পালির মোড় সহ একাধিক জায়গায় এই নোংরা রাজনীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়, তাদের পোস্টারে উঠে আসে, “আজ ভাঙছে বিদ্যাসাগর,কাল ভাঙবে নেতাজি , গুন্ডারা দেশ চালাচ্ছে আর শিক্ষিতরা খেলছে পাবজি” । তাদের এমনটাও দাবি, যদি এই অবস্থার পরিবর্তন না হচ্ছে আর শিক্ষিত সমাজ যদি রাজনীতির হাল না ধরে আগামী দিনে এর থেকেও ভয়াবহ হাল হবে। পথ প্রদর্শক এর পক্ষ থেকে অরণ্য পাল ও অরূপম দাস জানাই, “আমরা ছোট থেকে বিবেকানন্দ, বিদ্যাসাগর নেতাজির আদর্শে বড় হয়েছি, আর আজকে তাদের কে নিয়েও যদি রাজনীতি করা হয়, তবে এর থেকে নোংরা জিনিস হয়না বলেই মনে হয়, যার তীব্র প্রতিবাদ জানানো জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি যুব সমাজ।

সন্ধ্যা নামতেই রাস্তার ধারে বসে মদ ও ব্রাউন সুগারের আসর👇👇👇

 

তুহিন, বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭, হরিশ্চন্দ্রপুর :

সন্ধ্যা নামলেই এই রাস্তার ধারে বসে মদ ও ব্রাউন সুগারের আসর।প্রশাসনের নেই কোনো হেলদোল ।রাস্তাটি হরিশ্চন্দ্রপুর – ১ নং ব্লকের মহেন্দ্রপুর জিপির অন্তর্গত বনসরিয়া মোড় থেকে শুরু করে রামপুর, রামরায় হয়ে হরিশ্চন্দ্রপুরে ঢ়ুকেছে।

সন্ধ্যার পর শুরু হয় মাতালদের আড্ডা।লোকেরা ভয়ে এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে পারে না।প্রায় ঘটে ছিনতাইয়ের মতো ঘটনাও।প্রতিদিন রামপুর ভবানীপুর, বনসরিয়া ও হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামের প্রায় পাঁচ হাজার লোকের যাতায়াত ।এই রাস্তা দিয়েই হরিশ্চন্দ্রপুর থানা, হাসপাতাল ও ব্লকে যাতায়াত করেন স্থানীয় লোকেরা ।

রাস্তাটির দুই ধারে রয়েছে চাষিদের হাজার হাজার একর জমি।নেশাখোরদের ভয়ে চাষীরা জমিতে গভীর রাত পর্যন্ত শস্য পাহারায় থাকতে পারে না ।সকাল হতেই জমিতে পরে থাকতে দেখা যায় কাচের ভাঙা মোদের বোতল ।

স্থানীয় চাষীরা জানান, প্রায় এক বছর আগে এটি ছিল কাঁচা রাস্তা।বর্ষার সময় হাটু পর্যন্ত কাদা হয়ে যেত ।গ্রীষ্মকালে উড়ত ধূলো-বালি।রাস্তাটি পাকা হওয়ার পর থেকে এলাকার লোকেদের যাতায়াতের সুবিধা হলেও সন্ধ্যার পর থেকে নেশাখোরদের আড্ডায় সন্ত্রস্ত ।রাস্তাটির মধ্যে রয়েছে একটি পুরনো বটগাছ ।দিনের বেলা চাষী, শ্রমিক ও পথিকরা এই বটতলা ছায়ায় বসে বিশ্রাম করত ।এখন আর তত দেখা যায় না ।

তারা আরও জানান,দূর গ্রাম থেকে বাইক, টোটো, অটোই করে মাতালরা মদের বোতল সঙ্গে নিয়ে আসে ।গভীর রাত পর্যন্ত চলে তাদের আড্ডা।তাদেরকে কিছু বলার কারও সাহস নেই ।

এলাকার লোকজনদের অভিযোগ হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পাশেই কিভাবে চলছে মাতালদের আড্ডা ।রাত্রে পুলিশের টহলদারি হলেই আশাকরি তাদের আড্ডা কমে যাবে ।

দাঁইহাট শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ সারদা সেবাশ্রম সংঘের উদ্যোগে স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির অনুষ্ঠিত হল শুক্রবার👇👇👇

রাহুল রায়,বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭, পূর্ব বর্ধমান:

পূর্ব বর্ধমানের দাঁইহাট শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ সারদা সেবাশ্রম সঙ্ঘে-এর পরিচলনায় শিবজ্ঞানে জীব সেবা-এর উদ্যোগে স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির অনুষ্ঠিত হলো শুক্রবার। রামকৃষ্ণ সারদা সেবাশ্রম সঙ্ঘে-এর সম্পাদক অজয় কুমার সাহা জানান এবারের রক্তদান শিবির দ্বিতীয় বছরে পরলো।৩৮জন রক্তদাতা স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন। যারা রক্ত দিয়েছে তাদের কে রামকৃষ্ণ সারদা সেবাশ্রম সঙ্ঘে-এর পক্ষ থেকে একটি করে চারাগাছ ও ঠাকুরের বই দিয়া হয়। উপস্থিত ছিলেন রামকৃষ্ণ সারদা সেবাশ্রম সঙ্ঘে-এর সভাপতি আশীষ কুমার সেন, রামকৃষ্ণ সারদা সেবাশ্রম সঙ্ঘে-এর সম্পাদক অজয় কুমার সাহা,ডাক্তার জয়ন্ত সিনহা, ডাক্তার সুদীপ্ত চ্যাটার্জী, ডাক্তার অভিজিত দেবনাথ সহ রামকৃষ্ণ সারদা সেবাশ্রম সঙ্ঘে-এর সকল সদস্যরা। এইরকম উদ্যোগে সাধুবাদ জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ।

দিনাজপুর মহিলা ও শিশু কল্যান সমিতির সহযোগিতায় জয়হাট অঞ্চলে মহিলাদের প্রাথমিক চিকিৎসার প্রশিক্ষন আয়োজন করা হয়

নিজস্ব প্রতিনিধি, বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭,ইটাহার :

১৭ মে ইটাহার : মহিলাদের প্রাথমিক চিকিসার প্রশিক্ষন শুরু হয়েছে ইটাহারে, জানা গিয়েছে জয়হাট পঞ্চায়েত এর উদ্যেগে ও উওর দিনাজপুর মহিলা ও শিশু কল্যান সমিতির সহযোগিতাই জয়হাট অঞ্চলের মহিলাদের প্রাথমিক চিকিসার প্রশিক্ষন শুরু হয়েছে পঞ্চায়েত  দপ্তরের সভা হলে, এদিনের প্রশিক্ষন শিবিরে উপস্হিত ছিলেন পঞ্চায়েত প্রধান প্রশান্ত বম’ন, প্রশিক্ষন শিক্ষক প্রবির দাস প্রমুখ। এদিন প্রধান প্রশান্ত বাবু বলেন আমাদের জয়হাট পঞ্জায়েত দপ্তরের উদ্যেগে ও উওর দিনাজপুর মহিলা ও শিশু কল্যান সমিতির সহযোগিতাই অঞ্চলের ৬০ জন মহিলা প্রাথমিক চিকিসার প্রশিক্ষন নিচ্ছেন, প্রথমত মহিলারা ছয় মাস প্রশিক্ষন শেষে একটি সংসা পত্র পাবে, বিশেষ করে মহিলাদের এই প্রশিক্ষন দেওযার কারন তাদের এলাকায় যদি কোন ছোট খাট দুর ঘটনা ঘটে তাহলে এই মহিলারা প্রাথমিক চিকিসা করে কিছুটা হলেও উপকৃত করতে পারবেন এলাকার সাধারন মানুষ দের।

Design a site like this with WordPress.com
Get started