২১শে জুন বিশ্ব যোগ দিবস তারে প্রস্তুতি পর্ব রায়গঞ্জ নেহেরু যুব কেন্দ্রে

নিজস্ব  প্রতিবেদক, বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭,ইটাহার :

১৯ জুন, ইটাহারঃ ২১ জুন বিশ্ব যোগ দিবস। তার পূর্বে আজ পার্বতিপুর বিদ্যাসাগর সোসাইটির পরিচালনায় ভারত সরকারের অধিনস্ত নেহেরু যুব কেন্দ্র রায়গঞ্জ এর উদ্যোগে যোগ শিবির ও ইউথ পার্লামেন্ট ২০১৯-২০ এর আয়োজন করা হল ইটাহারে। এদিন ইটাহার ব্লকের দূর্লভপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের নন্দন গ্রাম এলাকায় বিদ্যাসাগর বিদ্যাপীঠে এদিনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এদিনের এই যোগ শিবির ও ইউথ পার্লামেন্ট এ এলাকার সাধারন মানুষ সহ বিদ্যাসাগর বিদ্যাপীঠের ছাত্র ছাত্রীরা অংশ গ্রহন করেন। ভারত সরকার অধিনস্ত নেহেরু যুব কেন্দ্র মূলত নানান সংস্থ্যার মাধ্যমে সমাজকে অগ্রগতির পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে এই ধরনের নানান কর্মসূচি নিয়ে থাকে। এদিনের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এলাকার প্রধান কুমুদিনি হাসদা, বিদ্যাসাগর বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষক গয়ানাথ বর্মন, বিশিষ্ট ব্যাক্তি গকুল চন্দ্র মন্ডল সহ অন্যান্য রা। এই বিষয়ে এলাকার গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান কুমুদিনি হাসদা জানান, আজকে এখানে ২১ জুন বিশ্ব যোগ দিবস উপলক্ষে অগ্রিম যোগ শিবির সহ ইউথ পার্লামেন্ট এর আয়োজন করা হয়েছে। সাধারন মানুষকে শুস্থ্য স্বাভাবিক থাকতে এই ধরনের যোগ শিবির খুব প্র‍য়োজনীয়। বিদ্যাসগর বিদ্যাপিঠ সোসাইটির এই উদ্যোগ খুব সুন্দর। (ছবি আছে)

Advertisements

ডাইনীর অপবাদ দেওয়ার কারণে আদিবাসী এক মহিলা জীবনের ভয়ে ইটাহার থানায় আশ্রয় নিয়েছে 👇👇👇

নিজস্ব প্রতিনিধি, বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭,ইটাহার:

ডাইনি অপবাদ দেওযার কারনে এক আদিবাসী মহিলা প্রানের ভয়ে থানায় আশ্রয় নিয়েছে ইটাহারে।ঘটনাটি ঘটে ইটাহার থানার জয়হাট অঞ্চলে উকলিহার গ্রামে, পুলিস সূত্রে জানা যায় উকলিহার গ্রামের বছর ৫০ এর সাঁঝলী টুডুকে তার কিছু আত্বীয় ডাইনি অপবাদ দিয়েছে,রাতেই তিনি ইটাহার থানায় অভিযোগ দিয়েছে ও তিনি থানায় রয়েছে । এদিন থানায় বসে সাঁঝলী টুডু বলেন আমি বারিতে একাই থাকি , আমার দুই ছেলে ভিন রাজ্যে কাজ করে স্বামী ও গত সাত মাস আগে ভিন রাজ্যে কাজে গিয়ে এখনো তার খোজ নেই, বত’মানে আমি অসুস্হ কিন্তু আমার দুই দেওয়োর আমাকে মাঝে মধ্যেই অসব্য ভাষায় গালি গালাজ করে ও মারতে আসে আমাকে ডাইনি, ফুকসিন বলে, আমি নাকি স্বামী কে খেয়েছি, তাদের নাকি খতি হচ্ছে তাই গতকাল রাতে আবার লাঠি দিয়ে মারতে আসে আমাকে প্রানে মেরে ফেলবে বলছে বারিতে থাকলে তাই প্রানের ভয়ে ইটাহার থানায় আশ্রয় নিয়েছি ও তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছি থানায় লিখিত, যদিও এব্যাপারে ইটাহারের বিডিও m লামাকে দুপুর নাগাদ জিঞ্জাসা বাদ করা হলে, বিষয়টি তার জানা না থাকলেও সংবাদ মাধ্যমের কাছে শুনতে পেয়ে, ক্যামেরার সামনে কিছু না বললেও তিনি বলেন ওসি সাহেব এর সঙ্গে কথা হোল যা বলার জেলা আধিকারিক বলবে, তবে উকলিহার গ্রাম এলাকার জেলা পরিষদের সদস্য তথা জেলা কৃষি,ভুমি সমবায় কম’ধক্য মোষারফ হোসেন বলেন, ডাইনি বা ফুসনী অপবাদ দেওয়া হয় এক মহিলার উপর তার দুই আত্বীয়রা একরকম একটা ঘটনা ঘটেছে আমার এলাকায় গত রাতে, মহিলাটি নাকি অসুস্হ বলে শুনেছি, তবে এলাকার মানুষ দের নিয়ে আলো চনার মাধ্যমে আজকে সমস্যা মিটে গেছে তবে আগামী দিনে এই ধরনের ঘটনা যেন না ঘটে তার জন্য বিভিন্ন আদিবাসী এলাকায় সচেতন মূলক প্রচার করা হবে কু সংস্কার দুর করতে, কেননা ডাইনি বা ফুকসিন বলে কিছু নেই সমাজে।

ইটাহার ব্লক গোপাল নগরে শুরু হল রাস্তা ঢালাইয়ের কাজ👇👇👇

বিপ্লব, বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭,ইটাহার :

১৫ জুন ইটাহার : উওর দিনাজপুর জেলা পরিষদের আর্থিক তহবিলে ঢালাই রাস্তার কাজ শুরু হয়েছে ইটাহারে। এদিন ইটাহার থানার জয়হাট অঞ্চল ভুসর গাছি হয়তে গোপাল নগর দুই কিলোমিটার ঢালাই রাস্তার কাজ শুরু হয় আনুষ্ঠানিক ভাবে, ছিলেন পঞ্চায়েত প্রধান প্রশান্ত বর্মন , পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য তথা দলনেতা নজিবর রহমান, এদিন নজিবর রহমান বলেন এলাকার জেলা পরিষদের সদস্য তথা কৃষি ভুমি কম’ধক্য মোষারফ হোসেন এর. উদ্যেগে জেলা পরিষদের প্রায় ৬৫ লক্ষ টাকা ব্যায়ে দুই কিলোমিটার ঢালাই রাস্তার কাজ শুরু হয়েছে, দু এক দিনের মধ্যেই রাস্তার কাজ শেষ করে মানুষের চলাচলের ব্যাবস্হা করা হবে।

ডাঃ মেঘনাথ সাহা কলেজ ইউনিট পুনরায় তৃনমূল ছাত্র পরিষদ দখলে👇👇👇

নিজস্ব প্রতিনিধি, বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭,ইটাহার :

১৪ জুন ইটাহার : পুনরায় নিজেদের দখলে রাখল ইটাহার ড: মেঘনাথ সাহা কলেজ ইউনিট তৃনমূল ছাত্র পরিষদ। উল্লেখ্য গতকাল গুটি কয়েক Abvp কর্মী ইটাহার ড: মেঘনাথ সাহা কলেজে কলেজের পিনসিপালের অনুপস্থিত কলেজের অশিক্ষক কর্মীদের হাতে সারক লিপি জমা দিয়ে সাময়িক সময়ের মধ্যে কলেজ প্রাঙ্গনে সংগঠনের সংগঠনের পতাকা লাগানো সহ তৃনমূল ছাত্র পরিষদের ঘরে Tmc মুছে দিয়ে Abvp লিখে কলেজ নিজেদের দখলে আসল বলে দাবি করেছিল বিজেপির ছাত্র সংগঠন Abvp যদিও মানতে নারাজ ছিল তৃনমূল ছাত্র পরিষদের নেতৃত্ব তাদের দাবি ছিল কলেজে পরিক্ষা চলাকালীন আমাদের ছেলেরা কলেজে যাবে না, শুক্রবার কলেজে পরিক্ষা নেই আমাদের তৃনমূল ছাত্র পরিষদের কর্মীরা গিয়ে সব পতাকা খুলে দিবে। শুক্রবার কলেজ খুললেই শতাধিক তৃনমূল ছাত্র পরিষদের কর্মী গিয়ে বিরোধী দলের পতাকা কলেজ প্রাঙ্গন থেকে খুলে দেয় ও তৃনমূলের পতাকা লাগান নতুন করে তৃনমূল ছাত্র পরিষদ লিখে যদিও এদিন Abvp কোন কমি’দের কলেজ চত্তরে দেখা যায়নী, এদিন তৃনমূল ছাত্র কলেজ ইউনিট নেতৃত্ব মিরাজ আলম, বলেন গতকাল Abvp কয়েক জন বহিরাগত দের নিয়ে চোরের মতন এসে আমাদের পতাকা খুলা সহ আমাদের ইউনিয়ন ঘরে লেখা সহ কলেজে ভাঙ্গচূর করে নিজেদের দখলে বলছে আমরা পরিক্ষা থাকায় আসেনী আজকে কলেজে পরিক্ষা নেই আমরা কলেজে এলাম ও আমাদের ইউনিয়ন ঘর আমাদের দখলে ছিল আগামী দিনেও থাকবে গন তান্তর মাধ্যমে আমরা আছি ছাত্রছাত্রী দের কাজের সঙ্গে আমরাই থাকি সারা বছর, যারা বলছে কলেজের নামে অপ প্রচার করছে, চোরের মতন আসছে কলেজে সাহস থাকলে সামনে এসে কথা বলুক

উচ্চ মাধ্যমিকে নবম স্থানাধীকারিকে জয়েফের সম্প্রীতি’সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

সেখ সফি কামাল,বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭,হুগলী:

হুগলী জেলার, হরিনখোলা দরবার শরীফ জুলফিক্কারিয়া আজিজিয়া যুব ফাউন্ডেশন “জয়েফ” এর পক্ষ থেকে আজ সম্প্রীতি সংবর্ধনা দেওয়া হলো এবছর রাজ‍্যে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় নবম স্থান অধিকারী মুথডাঙ্গা হাইস্কুলের ছাত্রী প্রিয়া মুরালীকে। প্রিয়া মুরালীর বাড়ি আরামবাগ ব্লকের, মায়াপুরের, সরাইঘাটা গ্রামে। জয়েফের কর্ণধার পীরজাদা মহেবুল্লাহ হুসাইনী আমাদের বলেন “রবীন্দ্র — নজরুলের দেশে দিন দিন যেভাবে ধর্মীয় বিভাজনের চেষ্টা চলছে আমরা তাই এই সংবর্ধনার নাম দিয়েছি সম্প্রীতি সংবর্ধনা”।
উল্লেখ্য ইতিমধ্যে এবছর মাদ্রাসা বোর্ডের আলিম পরীক্ষায় সপ্তম স্থান অধিকারী সরিফুল ইসলামকে সংবর্ধিত করেছে জয়েফ। সংবর্ধনা কালে অনান‍্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আরামবাগ আল আলম মিশনের সম্পাদক হাজী সেখ বদরুল আলম সিদ্দিক , জয়েফের রাজ‍্য সভাপতি পীরজাদা মাহফুজুল্লাহ হুসাইনী, রাজ‍্য কনভেনর পীরজাদা এনায়েতুল্লাহ হুসাইনী, জয়েফের সহ সম্পাদক পীরজাদা সাফিউল্লাহ হুসাইনী, শিক্ষক মহঃ মুস্তাকিম, সাদ্দাম হোসেন, কালিমুল্লাহ, নুরুদ্দিন সানা প্রমুখ।

পরিবেশের জন্য হাঁটা কর্মসূচি পালন করল ইটাহার ডা:মেঘনাথ সাহা কলেজের ছাত্র ছাত্রীরা👇👇👇

নিজস্ব প্রতিনিধি, বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭,ইটাহার :

ইটাহার, ১১ জুন: আগামী ৫ জুন ছিল বিশ্ব পরিবেশ দিবস। কলেজ ছুটি থাকায় ইটাহারের ড. মেঘনাদ সাহা কলেজ এর পক্ষ থেকে বিশ্ব পরিবেশ উদযাপন হল ১১ জুন মঙ্গলবার । তিনটি পর্বে এদিনের কর্মসূচি সাজানো হয়। বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে এদিন ইটাহার বাসস্টান্ড থেকে সকাল ৮.৩০ নাগাদ শুরু হয় “পরিবেশের জন্য হাঁটা” কর্মসূচি। বর্তমান ও প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী,অধ্যাপক – অধ্যাপিকা, শিক্ষাকর্মী ও পরিবেশপ্রেমী লোকজন এদিনের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। পরিবেশ রক্ষা ও সচেতনতার বার্তামূলক নানান প্লেকার্ড হাতে নিয়ে পায়ে পা মেলায় অংশগ্রহণকারীরা।

কলেজের উপাধ্যক্ষ ড. মুকুন্দ মিশ্রের স্বাগত ও উদ্বোধনী ভাষণের পর শুরু হয় পরিবেশের জন্য পথ চলা। রাস্তায় উৎসাহী জনগণের ভীড় ছিল দেখার মত। আপামর ইটাহার বাসী কলেজের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানায়। রাস্তার পাশে দাঁড়ানো গ্রামবাসীদের পরিবেশ বিষয়ে সচেতন করার পাশাপাশি পথচলতি মানুষকে কলেজের পক্ষ থেকে চকোলেট দেওয়া হয়। মাঝে মাঝে পরিবেশ রক্ষা সংক্রান্ত নানা স্লোগান দিতে দেখা যায় অংশ গ্রহন কারী সকলকে। ছিল প্লাস্টিক বর্জনের বার্তা, গাছ লাগানোর আবেদন।
পরিশ এর ভারসাম্য রক্ষা নিয়ে কলেজ সভা কক্ষে আলোচনা চক্রের আয়োজন করা হয়। সেখামে বক্তব্য রাখেন আজকের কর্মসূচির আহবাহক অধ্যাপক দরীন সরকার, শিক্ষাকর্মী বিকাশ চক্রবর্তী, অধ্যাপিকা ড. আইরিন শবনাম,পরিবেশ নিয়ে স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন অধ্যাপক সুকুমার বাড়ই, পরিশেষে উপাধ্যক্ষ ড. মুকুন্দ মিশ্র তাঁর সমাপ্তি ভাষণে বিশ্ব উষ্ণায়ণ বিষয়ে আলোকপাত করা হয়।
আলোচনা চক্রের পরে শুরু হয় বৃক্ষরোপন কর্মসূচি। অধ্যাপক -অধ্যাপিকা,ছাত্র- ছাত্রীরা এই বৃক্ষরোপন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছিলেন। আগামীতে জুলাই মাসে অরণ্য সপ্তাহ পালন উপলক্ষ্যে কলেজের হোস্টেল প্রাঙ্গণে আরও বেশি করে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালন করা হবে বলে জানালেন কলেজ কর্তৃপক্ষ।

কাটোয়া শহরে বিজেপির পক্ষ থেকে কালো দিবস পালন করা হয়👇👇👇

রাহুল রায়,বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭,পূর্ব বর্ধমানঃ

বিজেপি কর্মীদের খুনিদের গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে এবং পশ্চিমবঙ্গে আইন শৃঙ্খলার অবনতি ও মমতা ব্যানার্জীর নেতৃত্বে তৃণমূলের রক্তের রাজনীতির বিরুদ্ধে সোমবার কাটোয়া শহরে বিজেপি পার্টির পক্ষ প্রতিবাদ মিছিল এবং ‘কালা দিবস’ পালন করা হয়। প্রতিবাদ মিছিলটি শুরু হয় কাটোয়া শহরের বিজেপি জেলা অফিস থেকে, গোটা শহর পরিক্রমা করে। উপস্থিত ছিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলার সাংগঠনিক সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষ সহ প্রমুখ। প্রতিবাদ মিছিলে পা মেলায় কয়েক হাজার কর্মী।

জৈব গবেষক ও কৃষক বন্ধু দের নিয়ে কৃষি আলোচনা হল ইটাহারে

নিজস্ব প্রতিনিধি, বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭,ইটাহার :

৯ জুন, ইটাহারঃ জৈব প্রগতিশীল কৃষিকাজ বিষয়ে কৃষক, গবেষক ও কৃষক বন্ধু দের নিয়ে কৃষি কথা – ২০১৯ এর আয়োজন করা হল ইটাহারে। এদিন ইটাহার ব্লকের চেকপোষ্ট এলাকায় বৈদড়া জনকল্যান হাইকুল প্রাঙ্গনে ইন্টিগ্রেটেড রুরাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের পরিচালনায় ও ব্যাবস্থ্যাপনায় এই অনুষ্টানের আয়োজন করা হয়। সঙ্গীত ও অতিথি বরন পর্বের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দ্যেশ্য কি ভাবে রাসায়নিক সার ব্যাবহার বন্ধ করে জৈব সার ব্যাবহার করে পরিবেশ বান্ধব পরিবেশ ও স্বাস্থ্য কর ফসল ফলানো, মাটির উর্বরতা রক্ষা করে আন্তর্জাতিক বাজারে ফসলের অর্থনৈতিক মান বাড়ানো যায়। এছাড়া এদিনের আলোচনা সভায় পঞ্চায়তের স্বনীর্ভর দলের মাধ্যমে জৈব সার উৎপাদন বাড়িয়ে তা কৃষি ক্ষেত্রে কি ভাবে বেশি করে প্র‍য়োগ করা যায় তাও আলোচনা করা হয়। এদিনের অনুষ্ঠানে জেলা সহ ব্লকের জৈব সার উৎপাদক সহ জৈব সারে চাষ করা কৃষক বন্ধুদের সংবর্ধনা জানানো হয়। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইটাহারের বিধায়ক অমল আচার্য্য, জয়েন্ট ডিরেক্টর অফ এগ্রিকালচার (রায়গঞ্জ রেঞ্জ) বাপ্পা মোহন রাজা রেড্ডি, জেলা কৃষি ভুমি কম’ধক্য মোশাররফ হোসেন,এলাকার প্রধান প্রশান্ত বর্মন, ডেভেলপয়েন্ট সম্পাদক মনজিন মজুমদার, পঞ্জায়েত সমিতির , সদস্য জামিন মুরমু, নজিবর রহমান সহ অন্যান্য বিশিষ্ট গন। এদিন বিধায়ক অমল আচার্য্য বলেন, আজকে জৈব প্রগতি শীল কৃষি কাজ বিষয়ে একটি অনুষ্ঠান কৃষই কথা -২০১৯ এর একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এখানে মূলত রাসায়নিক সার বর্জন করে কৃষি কাজে জৈব সার ব্যাবহার করে কি ভাবে উৎপাদন বৃদ্ধি ও সেই ফসলের দাম কি ভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে বৃদ্ধি করা যায় সেই নিয়ে আলোচনা করা হল।

গবেষণা বলছে, কঠোর মায়েদের সন্তানের ভবিষ্যত উজ্জ্বল হয় জানুন বিস্তারিত👇👇👇

ওয়েব ডেস্ক, বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭:

বেড়ে ওঠার বয়সে আপনার বাবা-মা কী খুব কঠোর ছিলেন? তাঁরা কি আপনাকে ঘর পরিষ্কার করতে, না বাড়ির কাজ করতে এবং প্রতিনিয়ত ভবিষ্যত নিয়ে ভাবতে বলতেন? আমাদের মধ্যে বেশিরভাগ সন্তানেরাই এমন পরিবারে বড় হয়েছি যেখানে মায়েরা ছিলেন আমাদের চির শত্রু!
নিত্যদিন পেছনে লেগে থাকা এবং বলে বলে কাজ করানোর জন্য হয়তো আপনার জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছিলো। কিন্তু আপনি কী জানেন? গবেষকদের মতে, কঠোর মায়েদের সন্তানেরাই ভবিষ্যতে সফলতার মুকুট পরিধান করতে সমর্থ হয়? সুতরাং, তখন অসহ্য মনে হলেও ভবিষ্যতে আপনি আপনার মা’কে বারংবার ধন্যবাদ জ্ঞাপন করবেন। এটিই সত্য!

ইউনিভার্সিটি অব এসেক্সের একজন অধ্যাপক এরিকা র‍্যাসকন, একটি গবেষণা চালিয়েছেন যেখানে প্রমাণিত হয়েছে যে কঠোর মায়েদের সন্তানের জীবন সাফল্যে পরিপূর্ণ এবং সে সকল মায়েরা সন্তানদের শৈশবে শাসন করেছিলেন। উক্ত গবেষণা চালানো হয় ২০০৪ থেকে ২০১০ সালের ভেতর ১৫০০০ এর অধিক বাচ্চাদের উপর, যাদের বয়সসীমা ছিলো ১৩-১৪ বছর।

র‍্যাসকনের মতে, শৈশব থেকেই সন্তানের পড়াশোনার ব্যাপারে পিতা-মাতার উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও বিশ্বাস তাদেরকে খ্যাতির চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করে। আমাদের গবেষণা এটিই প্রমাণ করেছে।

যে সকল বাচ্চার মায়েদের উচ্চাকাঙ্ক্ষা ছিলো তারা বর্তমানে অধিক আত্মবিশ্বাসী এবং নিরাপদ। গবেষণায় এটিও প্রমাণিত হয়, যে সকল মেয়েদের মায়েরা অতিরিক্ত কঠোর ছিলেন তাদের মধ্যে অল্প বয়সে মা হবার প্রবণতা শতকরা চার ভাগ কম।

শক্ত ও রাগী মায়েদের সন্তানেরা দ্রুত গ্র্যাজুয়েট হতে পেরেছে এবং ভালো চাকরিও পেয়েছে। এটা শুনতে অবিশ্বাস্য ও হাস্যকর মনে হতে পারে কিন্তু ঘটনা সত্য!

অনেক বাচ্চারাই তাদের মায়েদের সাক্ষাত যম মনে করে থাকে। কিন্তু আমরা নিশ্চয়তা সহকারে বলছি যে এ শাসন আপনার পরবর্তী জীবনে বেশ সাহায্য করবে আপনাকে। বয়স্ক হবার পর আপনি মা’কে বারবার ধন্যবাদ জানাবেন সুন্দর ও অভাবনীয় একটি জীবনের জন্যে। শুধু তাই নয়, সে শিক্ষায় আপনি আপনার সন্তানকেও শিক্ষিত করতে চাইবেন।

অতীতের কিংবা শৈশবের কথা একটু মনে করুন তো? আপনার মা কেমন ব্যবহার করতেন আপনার সঙ্গে? এ গবেষণার ব্যাপারেই বা আপনি কী মনে করেন?

বৃহত্তম মসজিদ নির্মাণ সম্পন্ন হল আফ্রিকার একসঙ্গে ১২ লাখ মুসল্লী নামায পড়তে পারবেন👇👇👇

ওয়েব ডেস্ক, বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭:

১০০ কোটি ডলারের ব্যয়ে দীর্ঘ সাত বছরে অবশেষে সম্পন্ন হল আলজেরিয়ার নতুন মসজিদের নির্মাণ কাজ। এই মসজিদটি নতুন বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে। মসজিদটির নাম দেয়া হয়েছে ‘দ্য গ্রেট মস্ক অব আলজিয়ার্স’ বা, জামা আল-জাজাইর। মসজিদটির আয়তন ৪ লক্ষ বর্গমিটার, এটির মিনারের উচ্চতা ২৬৫ মিটার (৮৭০ ফুট), যেখানে একটি পর্যবেক্ষণ ডেক রাখা হয়েছে। আলজিয়ার্স উপকূলের কাছে অবস্থিত যৌগিক গম্বুজ বিশিষ্ট এই মসজিদে একসাথে ১২ লাখ মুসল্লি নামাজ পড়তে পারবেন। এর ভূগর্ভস্থ পার্কিংয়ে ৭,০০০ গাড়ি রাখার ব্যবস্থা আছে।

মসজিদ কমপ্লেক্সে একটি কোরানিক স্কুল, ২১ হাজার ৮০০ বর্গমিটারের সুবিশাল ও সমৃদ্ধ লাইব্রেরি, একটি রেস্টুরেন্ট, একটি অ্যাম্ফিথিয়েটার ও আলজেরিয়ার ইতিহাসের জন্য নিবেদিত একটি গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে।

বর্তমানে এটি আফ্রিকা মহাদেশের বৃহত্তম মসজিদ। আর বিশ্বের মধ্যে ইরানের মাশহাদে অবস্থিত ইমাম রেজা শ্রাইন (৬ লাখ বর্গমিটার) ও ওমানের মাসকাটে অবস্থিত সুলতান কাবুস গ্র্যান্ড মসজিদের (৪ লাখ ১৬ হাজার বর্গ মিটার) পরে এটি তৃতীয় সর্ববৃহৎ মসজিদ হিসেবে স্বীকৃতি পেতে যাচ্ছে। এটির মিনারও এখন আফ্রিকার মধ্যে উচ্চতম। এর আগে উচ্চতম মিনার ছিল মরোক্কোর কাসাব্লাংকায় অবস্থিত হাসান দ্বিতীয় মসজিদের, যার উচ্চতা ছিল ৬৭০ ফুট।

আলজিয়ার্সের মসজিদটি তৈরি করেছে চায়না স্টেট কনস্ট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশন (সিএসসিইসি)। এটি একটি বিশাল বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান যারা আফ্রিকা ও বিশ্বব্যাপী ভারী শিল্প ও অবকাঠামো নির্মাণে কাজ করে। ২০১১ সালে এই মসজিদ প্রকল্পের জন্য কোম্পানিটি যখন দায়িত্ব পায়, তখন এটিই ছিল তাদের বিদেশী প্রকল্পগুলোর মধ্যে সর্ব বৃহৎ প্রকল্প।

গত বছরের শেষের দিকে এটি উদ্বোধনের কথা থাকলেও, বিশ্বব্যাপী তেলের দাম কমে যাওয়ায়, মসজিদটি বাজেট সংকটের মুখোমুখি হয়েছিল যার ফলে এর নির্মাণ বিলম্বিত হয়।

মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটির জন্য আফ্রিকার বৃহত্তম মসজিদ নির্মাণ একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। দেশটিতে বহুবছর ধরেই মুসলমানরা বিদ্রোহ করে আসছে। ১৯৯২ সালের নির্বাচনে ইসলামপন্থীরা জয়ী হলেও, সরকার তখন সেই নির্বাচন বাতিল করে দেয়, যার ফলে বেসামরিক বিদ্রোহের সূচনা হয়। এতে প্রায় ২ লাখ মানুষ নিহত হয়েছিল।

Create your website at WordPress.com
Get started