শুনলে অবাক হবে সজনে ডাঁটায় হাজারো রোগ থেকে মুক্তি👇👇👇

স্বাস্থ্য ডেস্ক, বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭:

সবজি হিসেবে শজনে ডাঁটা অনেক জনপ্রিয় একটি সবজি। শজনে ডাঁটা আমরা সবাই চিনি তবে, এটি শুধু সবজি হিসেবে নয়; এতে রয়েছে হাজারো রোগ মুক্তির সমাধান।
শজনে সবাই চিনলেও এর গুণ সর্ম্পকে অনেকেরই হয়ত ধারণা নেই। শজনে ডাঁটা বা পাতা যাই বলুন না কেন এর বহুদিন রোগ সারানোর ঔষধি গুণাগুণ রয়েছে।

আমেরিকার জার্নাল অব নিউরোসায়েন্স জানাচ্ছে যে, পুরুষদের লিঙ্গ উদ্দীপনার ঘাটটিতে খুব ভালো কাজ করে শজনে ডাঁটা। তাই প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় রাখুন শজনে ডাঁটা। এছাড়াও ১ গ্লাস দুধে শজনে ফুল, লবণ ও গোলমরিচ মিশ্রণ করে প্রতিদিন খেলেও পাবেন অনেক উপকার।

ডাক্তারা পরামর্শ দিচ্ছেনি এই শজনে ডাঁটা খাওয়ার জন্য। তবে অনেকে এর গুণাগুণ জানে না জন্য হয়ত খেতে চান না। এখন বাজারে গেলেই পাবেন শজনে।

বিখ্যাত পুষ্টিবিদ মালবিকা দত্তের মতানুসারে, সুষম খাবার বলতে যা বোঝায় শজনে হলো তেমনিই একটি খাবার। এত রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, আয়রন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। তাই ঋতু পরির্বতনের এই সময়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কয়েকগুণ বাড়াতে খান শজনে।

এক নজরে দেখে নিন শজনে ডাঁটার উপকারিতা:

১। শজনেতে ফসফরাস থাকার জন্য হাড় মজবুত রাখতে সহায়তা করে।

২। জলবসন্ত, লিভারজনিত, ডায়ারিয়াসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।

৩। হার্ট সুস্থ্য রাখতে শজনে ডাঁটার জুড়ি নেই।

৪। সজনে ডাঁটা নিয়ম করে খেলে ত্বক আরও উজ্জ্বল হয়

৫। হাঁপানি বা অ্যাজমা রোগ প্রতিরোধে চমৎকার সহায়ক।

৬। উচ্চ ও নিম্ন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

৭। দৃষ্টিশক্তি ভাল রাখতে, রেটিনার সুস্বাস্থ্যেও এটি উপকারী

৮। যার রক্তশূন্যতায় ভুগছেন তারা নিয়মিত শজনে ডাঁটা খেতে পারেন

৯। রক্তে শর্করা পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ রাখতে সহায়ক।

১০। মহিলাদের জরায়ুতে সিস্ট-সমস্যার প্রভাব অনেকটাই কমানোর ক্ষমতা রাখে।

আপনি যদি শজনে খেতে পছন্দ না করে তাহলে শজনে ফুলের বড়া খেতে পারেন, এতেও মিলবে উপকার।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় কাঁঠাল, ঠেকায় ক্যানসার জানুন বিস্তারিত তথ্য👇👇👇

স্বাস্থ্য ডেস্ক,বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭:

আম-কাঁঠাল পাকার সময় এখন -কাঁঠাল কাঁচা বা পাকা, দুভাবেই খাওয়া যায়। তবে আর কয়েক দিন পর বাজারে মিলবে পাকা কাঁঠাল। আমাদের জাতীয় এ ফলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, আয়রন, থায়ামিন, রাইবোফ্লোবিন, ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়াম। কাঁঠালের স্বাস্থ্যগুণগুলো সম্পর্কে জেনে নিই, চলুন-

১. হজমের সমস্যা দূর করার ক্ষেত্রে কাঁঠাল খুব উপকারি। এ ফলে রয়েছে এমন সব উপাদান, যা পাকস্থলির আলসার প্রতিরোধ করতে সক্ষম। এ ছাড়া কোষ্ঠ্যকাঠিন্যের সমস্যা দূর করার ক্ষেত্রে কাঁঠাল অত্যন্ত কার্যকর।

২. কাঁঠাল শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। কাঁঠালে থাকা ভিটামিন সি শরীরে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ঠেকাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাছাড়া কাঁঠাল রক্তের শ্বেতকনিকার কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

৩. কাঁঠালে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, যা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রেখে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।

৪. কাঁঠাল হাঁপানির সমস্যায় অব্যর্থ ওষুধ। আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় বলা হয়, কাঁঠালের শিকড় পানিতে ফুটিয়ে সেই পানি পান করা হলে হাঁপানির সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকে।

৫. কাঁঠালে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে খনিজ, যা থাইরয়েড হরমোনের উৎপাদন ও নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে কাঁঠাল পথ্য হিসেবে খেতে পারেন।

এই গরমে স্বাস্থ্য ভালো রাখতে লেচু খান বিস্তারিত দেখুন 👇👇👇

স্বাস্থ্য ডেস্ক,বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭: Continue reading “এই গরমে স্বাস্থ্য ভালো রাখতে লেচু খান বিস্তারিত দেখুন 👇👇👇”

মাহে রমজানে কীভাবে শরীর স্বাস্থ্য ঠিক রাখবেন জানতে হলে

নিজস্ব প্রতিনিধি, বেঙ্গল নিউজ২৪x৭:

সোমবার চাঁদ দেখা গেলে মঙ্গলবার থেকেই রমজান শুরু হয়ে যাচ্ছে। রোজার সময়টায় সারা বিশ্বের মুসলমানরা সেহরি থেকে ইফতারি পর্যন্ত না খেয়ে থাকবেন।
ফলে যারা রোজা রাখেন, তাদের খাবারের সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দৈনন্দিন লাইফ স্টাইলেও পরিবর্তন আসবে, যার মধ্যে রয়েছে ব্যায়ামের মতো জরুরি বিষয়।
সারা দিন কোন খাবার বা পানি না খেয়ে ব্যায়াম করার ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা নেয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা বলছেন। তার ওপর এবার রমজান হচ্ছে গরমের সময়ে, ফলে এখানেও দরকার বাড়তি সতর্কতা।
যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. রাঞ্জ সিং বলেছেন, এ সময় তিনটি বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। তা হলো, এই সময়ে খাবার ও পানির বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেয়ার পাশাপাশি হালকা ব্যায়াম করতে হবে এবং যতটা বেশি সময় সম্ভব বিশ্রামে থাকতে হবে।
ঢাকার কলাবাগানের বাসিন্দা নাজমা আক্তার বলছেন, ”আমাকে খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে রান্না বান্না করতে হয়, এরপর নামাজ পড়ি। এক ঘণ্টা বিশ্রামের পর বাচ্চাদের নিয়ে স্কুলে যেতে হয়। এরপর সারাদিন বাসায় অনেক কাজ থাকে। বাচ্চাদের আবার স্কুল থেকেও আনতে হয়। বিকেলে আবার ইফতারির প্রস্তুতি থাকে।”
”ফলে অন্যান্য সময়ে সকালে বাইরে একটু হাঁটতে গেলেও এখন সেটাও হয় না। রোজা রেখে সারাদিন এতসব করে এমনিতেই খুব ক্লান্ত হয়ে থাকি।” তিনি বলছেন।
ধানমন্ডির বাসিন্দা ইব্রাহিম মুন্সী প্রতিদিন সকালে অথবা বিকালে এক ঘণ্টা করে হাঁটেন। তবে তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, রোজা শুরু হলে সময় পরিবর্তন করে সন্ধ্যার পরে অথবা রাতের খাবারের পর হাঁটতে শুরু করবেন।
আরো পড়ুন:
একমাস রোজা রাখলে যা ঘটে আপনার শরীরে
বাংলাদেশে রোজা পালনকারীর জন্য জরুরী ১১টি পরামর্শ
ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য রোজার ৬টি জরুরি পরামর্শ
ভারী ব্যায়ামের তুলনায় ইয়োগা এবং হালকা ব্যায়ামের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা
রোজায় ব্যায়ামের ব্যাপারে যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা
ঢাকার ইয়াসমিন করাচিওয়ালা’স বডি ইমেজের প্রশিক্ষক সুরঞ্জিত দে বলছেন, ”রমজানের সময় ইফতারির অন্তত এক ঘণ্টা পরে ব্যায়াম করা উচিত।”
”বেশি কষ্ট করতে হয় না বা লাফঝাঁপ করতে হয় না, সেরকম ব্যায়াম করতে হবে। বিশেষ করে পেটের মাসলের, হাতের বা পায়ের ব্যায়াম করা যেতে পারে। যারা ডায়াবেটিস বা নিয়মিত কাজের অংশ হিসাবে হাঁটাহাঁটি করতে চান, তাদেরও উচিত ইফতারির অন্তত এক ঘণ্টা পরে হাঁটাহাঁটি করা। ”
”তবে লক্ষ্য রাখতে হবে, রোজার সময় বেশি ঘাম হয় বা বুক ধড়ফড় করে এমন কোন ব্যায়াম করা যাবে না।”
তিনি পরামর্শ দিচ্ছেন, গরমের সময় রোজা হওয়ার কারণে দিনের বেলায় কোন ব্যায়াম না করাই ভালো। তাহলে আর পানিশূন্যতার কোন ঝুঁকি তৈরি হবে না।
ফিটনেস প্লাস বাংলাদেশের একজন প্রশিক্ষক রাফি হাসান বলছেন, রমজানের সময় আমরা সবাইকে হালকা ব্যায়াম করার পরামর্শ দেই। যেমন হাত বা পায়ের হালকা ব্যায়াম, ইয়োগা জাতীয় ব্যায়াম ইত্যাদি।
”কেউ যদি ভারী ব্যায়াম, ওজন তোলা বা সাইক্লিং করতে চান, তাদের জন্য পরামর্শ দেবো ইফতারের পর এগুলো করার জন্য।”
তবে হাঁটাহাঁটি করার মতো ব্যায়াম যেকোনো সময়েই করা যেতে পারে বলে তিনি বলছেন। “তবে বিকালে না হেঁটে বরং সকালে সেহরির পরপরই হাঁটাহাঁটির কাজটি করে ফেলতে পারলে ভালো। বিশেষ করে ডায়াবেটিক রোগীরা বিকালে হাঁটবেন না, কারণ এ সময় রক্তে শর্করা অনেক কমে যায়।”

Design a site like this with WordPress.com
Get started