রাজ্যের প্রথম ১০ এর মধ্যে জায়গা দখল করে নিল বীরভূম জেলার তিন মেধাবী ছাত্র

প্রকাশিত হল মাধ্যমিক ২০১৯ এর ফলাফল। পরীক্ষা শেষ হবার মাত্র ৮৮ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশ করল পর্ষদ। বিগত বছরের মত এবছর ও রাজ্যের প্রথম ১০ এর মধ্যে জায়গা দখল করেছে বীরভূম জেলার তিন মেধাবী ছাত্র। বীরভূমেরে রামপুরহাট শহরের বাসিন্দা সাবর্ণ চট্টোপাধ্যায় রাজ্যে ষষ্ঠ স্থান অধিকার করেছে, তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৫। রামপুরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের এই ছাত্রের কথায়- তার এই সাফল্যের পিছনে তার মা এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষক/ শিক্ষিকাদের অবদান। অপরদিকে সিউড়ীর নেতাজী বিদ্যাভবন থেকে পরীক্ষা দিয়ে রাজ্যের দশম স্থান আধিকার করেছে অরিত্র মহরা, প্রাপ্ত নম্বর ৬৮১। অন্য প্রান্তে বিকেটিটিপি প্রবীর সেনগুপ্ত বিদ্যালয়ের সৌকর্য বিশ্বাস অধিকার করেছে রাজ্যের নবম স্থান, প্রাপ্ত নম্বর ৬৮২। সে পড়াশুনার সাথে পাল্লা দিয়ে অর্জন করেছে খেলাধুলার বিভিন্ন ট্রফি ও মেডেল, এবং প্রমাণও করে দিয়েছে খেলাধুলা করলে কোনো ক্ষতি হয়না। পর্ষদের কথায় এবছর সমগ্র পরীক্ষার্থী ছিল, ১০,৬৮,৯৮০ জন। পাশের হার ৮৬.০৭%।

মালদার বার্লো গার্লস হাই স্কুলের ছাত্রী সায়নিকা দাস মাধ্যমিকে দশম স্থানে জায়গা করে নিল

মালদাঃ- মালদার গৌড়রোডের বাসিন্দা সায়নিকা দাস দশম জায়গানিয়ে মনকেরে মালদা বাসির তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৮১। মালদার বার্লো গার্লস হাই স্কুলের ছাত্রী। এবছরের মাধ্যমিক পরীক্ষায় জেলাস্তরে সে প্রথম স্থান অর্জন করেছে। আর রাজ্যস্তরে সায়নিকা যুগ্মভাবে দশম স্থান অর্জন করেছে। স্বভাবতই তার এই সাফল্যে স্কুল ও পরিবারের সকলেই খুব খুশি।বাবা ও মায়ের একমাত্র মেয়ে সায়নিকার মাধ্যমিকে যুগ্মভাবে রাজ্যে দশম স্থান দখলের খবর জানাজানি হতেই পাড়া-প্রতিবেশীদের ভিড় সকাল থেকে তাদের বাড়িতে উপচে পরে। শুরু হয় মিষ্টিমুখ করার পালা। সায়নিকা মাধ্যমিক পরীক্ষায় জীবন বিজ্ঞান, অংক ও ভূগোলে একশোতে ১০০ নম্বরই পেয়েছে। এছাড়া বাংলায় ৯৯, ইংরেজিতে ৯৯, ভৌত বিজ্ঞানে ৯০, ইতিহাসে ৯৩ নম্বর তার। সায়নিকার আফসোস ভৌত বিজ্ঞানের নম্বরে দেখে।সায়নিকা দাস জানান পরীক্ষার প্রস্তুতির আগে আমার পড়ার নির্দিষ্ট সময় ছিল না। যখন যখন খুশি পড়তাম
স্কুলের শিক্ষিকা থেকে গৃহশিক্ষকদের সহযোগিতা সব সময় পেয়েছি। বাবা অভিজিৎ দাস পুখুরিয়া থানার এএসআই,মা সোনালী দাস স্কুল শিক্ষিকা বাবা মা সব সময় গাইড করতেন। তবে আমি ভাবতে পারি নি এতটা ভালো ফল করতে পারব। ভবিষ্যতে জয়েন্ট এন্ট্রান্সের পরীক্ষা দিয়ে ডাক্তারি পড়ার ইচ্ছে রয়েছে সায়নিকার।

প্রশিক্ষিতদের জন্য প্লেসমেন্টের উদ্যোগ নিলো কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ কলেজ অফ এডুকেশন এবং জিপিটিটিআই👇👇👇

ফিরোজ আলম,বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭,মাথাভাঙ্গা:

পশ্চিমবঙ্গের টিচার্স ট্রেইনিং কলেজ গুলির মধ্যে অন্যতম খ্যাতনামা কলেজ হল কোচবিহারের কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ কলেজ অফ এডুকেশন (বিএড,ডিএলএড),এবং গীতাঞ্জলি প্রাইমারি টিচার্স ট্রেইনিং ইনসটিউট।

কলেজ গুলোর পরিকাঠামো,গুনগতমান এবং শিক্ষাগত মানের দিক দিয়ে এগিয়ে রয়েছে অনেক।এ রাজ্যের অন্যান্য কলেজ গুলির থেকে।

প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও এই কলেজ গুলির সমস্ত শিক্ষার্থী শিক্ষক ভালো ফল করায় আনন্দিত কলেজ কতৃপক্ষ্য,সমস্ত অধ্যাপক অধ্যাপিকা সহ শিক্ষার্থী শিক্ষক সবাই খুশি

কলেজ আনন্দিত হয়ে শিক্ষার্থী শিক্ষক দের কেরিয়ারের কথা ভেবে প্লেসমেন্ট সেলের উদ্দোগের কথা এবং আগামী ২১ তারিখ পঞ্চাননবর্মা অডিটোরিয়ামের আয়োজিত অনুষ্ঠানে রেজাল্ট প্রদান করার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করলেন আজ

আজ প্রকাশিত হতে চলেছে হাই মাদ্রাসার পরীক্ষার ফলাফল👇👇👇

আব্দুল কদুস আজাদ,বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭,কোচবিহার:

আজ প্রকাশিত হতে চলেছে হাই মাদ্রাসার পরীক্ষার ফল ৷ সকাল ১১টায় ফল ঘোষণা করা হবে ৷

মাদ্রাসা শিক্ষা কমিশনের সচিব রেজানুল করিম জানিয়েছেন, মাদ্রাসা, আলিম, ফজিল পরীক্ষার ফলাফল

এবছর মাদ্রাসায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৬৫ হাজার ৩৯৭ জন।

পড়ুয়ারা ফল জানতে পারবেন অনলাইন ও মোবাইল এসএমএস-এর মাধ্যমে ৷ ফল ঘোষণার পর বেলা ১২ থেকে সরকারি ওয়েবসাইটে রেজাল্ট দেখা যাবে ৷
যে সব সাইটে রেজাল্ট প্রকাশিত হবে সেগুলি হলঃ-
১)http:// wbbme.org
২)http:// http://www.wbresults.nic.in
৩)http:// http://www.exametc.com
নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে গিয়ে লগ ইন করার পর চেকবক্সে রোল নম্বর লিখলেই জানা যাবে পরীক্ষার ফলাফল ৷
এছাড়া মোবাইলে এসএমএস-এর মাধ্যমে রেজাল্ট জানতে পারবেন পড়ুয়ারা ৷ ফল জানতে মেসেজে WBBME লিখে একটি স্পেস দিয়ে নিজের রোল নম্বর লিখে ৫৪২৪২ নম্বরে পাঠিয়ে দিলেই রিপ্লাই এসএমএসে জানিয়ে দেওয়া হবে রেজাল্ট ৷

ভর্তির বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়ারা👇👇👇

তুহিন, বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭, মালদা,

১৪ মে : ফুড অ্যান্ড নিউট্রিশন বিভাগে স্নাতকোত্তরস্তরের এক ছাত্রের ভরতি বাতিলের দাবিতে আজ বিক্ষোভ দেখায় গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের একাংশ ৷ পড়ুয়াদের একটি দল উপাচার্য স্বাগত সেনকে ঘেরাও করে। অন্যদিকে পড়ুয়াদের একটি দল বিক্ষোভকারীদের বিপক্ষে সরব হয় ৷ এদিকে, বিক্ষোভের জেরে উপাচার্যের ঘরে ঢুকতে না পেরে আজ অধ্যাপকরাও উপাচার্যের ঘরের সামনে কিছুক্ষণের জন্য অবস্থান করেন ৷ বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে ইংরাজবাজার থানায় খবর দেওয়া হয়।

ফুড অ্যান্ড নিউট্রিশন বিভাগে সম্প্রতি স্নাতকোত্তরস্তরে ভরতি নেওয়া হয় মহম্মদ ফরিদ মণ্ডল নামে এক ছাত্রকে ৷ তার এই ভরতি নিয়েই প্রশ্ন ওঠে ৷ অভিযোগ, নিয়ম ভেঙে তাকে ভর্তি করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের এগজ়িকিউটিভ কাউন্সিলের বৈঠক হয় ৷ সেই বৈঠকের সিদ্ধান্ত ফরিদের পক্ষে যায়।

কিন্তু ফরিদের ভরতি প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের একাংশ ৷ 10 মে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত ইন্সপেক্টরকে তারা দীর্ঘক্ষণ ঘেরাও করে রাখে ৷ এই ইশুতে স্থগিত করে দেওয়া হয় ফুড অ্যান্ড নিউট্রিশন বিভাগের প্রথম সিমেস্টারের পরীক্ষা ৷ বিভাগের এক ছাত্রী মৌমিতা সরকার বলেন, “পরীক্ষার 7 দিন আগে কীভাবে একজনকে ভরতি নেওয়া যায়? এর উত্তর পেতেই আমরা আজ উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলাম ৷ বহিরাগতরা আমাদের ঢুকতে বাধা দিচ্ছিল ৷ মেয়েদের গায়ে হাতও তোলা হয় ৷ উপাচার্যের কাছে আমাদের প্রশ্ন, আমাদের জন্য ওনার গুন্ডা কেন প্রয়োজন হল? এর বিরুদ্ধেই আমাদের বিক্ষোভ ৷ যতক্ষণ না আমরা এর জবাব পাব, ততক্ষণ আমাদের আন্দোলন চলবে ৷”

উপাচার্য স্বাগত সেন বলেন, “বিষয়টি অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয় ৷ 4 ঘণ্টা টয়লেটে পর্যন্ত যেতে দেওয়া হয়নি ৷ এটা মানবাধিকার লঙ্ঘন ৷ যদি আইন না মেনে কোনও ভরতি নেওয়া হয়ে থাকে আমরা তাতে ব্যবস্থা নেব ৷ যে ভরতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, সেটা আইন মেনেই হয়েছে ৷ আমাদের কাছে প্রমাণ রয়েছে ৷

ছুটি নয়, পড়াতে চাই, পড়তে চাই”, মালদায় বিক্ষোভ শিক্ষকদের👇👇👇

তুহিন, বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭ , মালদা:

“ছুটি নয়, পড়াতে চাই, পড়তে চাই” এই স্লোগান তুলে গতকাল মালদা শহরে মিছিল করেন নিখিলবঙ্গ শিক্ষক সমিতির সদস্যরা । মিছিল শেষে তাঁরা জেলা শিক্ষা ভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখান । এরপর জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শককে (মাধ্যমিক) ডেপুটেশন জমা দেন ।
সংগঠনের সভাপতি মনোরঞ্জন দাস বলেন, “সংগঠনের পক্ষ থেকে আমরা পরিষ্কার করে জানাতে চাই, গোটা রাজ্যের ছাত্র-ছাত্রীদের কথা ভেবে সমস্ত স্কুল অবিলম্বে খুলতে হবে । স্কুলের সমস্ত কাজ থমকে রয়েছে । পরীক্ষা নেওয়া যাচ্ছে না । প্রায় ২ মাসের ছুটির জন্য সিলেবাস কোনওমতেই শেষ করা যাবে না । এর মধ্যে মাধ্যমিকের ফলাফল প্রকাশিত হবে । উত্তীর্ণ পড়ুয়ারা ক্লাস ইলেভেনে ভরতি হবে । ছুটির জন্য তাদের ভরতি নেওয়া সম্ভব হবে না । ক্লাস ইলেভেন থেকে যারা টুয়েলভে উঠেছে, তাদের ক্লাস শুরু করা সম্ভব হবে না ।” তিনি আরও বলেন, “আমরা শিক্ষকরা মনে করি, আমাদের বাড়তি ছুটির প্রয়োজন নেই । সরকার আমাদের বসিয়ে বসিয়ে মাইনে দিক, তা আমরা চাই না । যে কাজের জন্য সরকার আমাদের নিযুক্ত করেছে, সেই কাজ আমাদের করতে দেওয়া হোক ।”

এপ্রসঙ্গে সংগঠনের সম্পাদক অরুণকুমার প্রসাদ বলেন, “রাজ্য সরকারের ঘোষণা করা প্রায় ২ মাস অপ্রয়োজনীয় ছুটির বিরুদ্ধে আজ আমরা জেলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিদর্শকের কাছে এসেছি । তাঁর মাধ্যমে আমরা সরকারের কাছে এই ছুটি প্রত্যাহারের আবেদন জানাচ্ছি । দীর্ঘ এই ছুটির জন্য ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনার অসুবিধে হবে । পরীক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়বে । অপ্রয়োজনীয় এই ছুটি দিয়ে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের হেয় করার চেষ্টা করছে রাজ্য সরকার । সরকারের এই অনৈতিক কাজের বিরুদ্ধে আমরা প্রতিবাদ করছি । আমরা চাই স্কুলের জন্য নির্ধারিত গরমের ছুটিই শুধু দেওয়া হোক । যদি কোনও প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয় তবে দু’একদিন ছুটি বাড়তে পারে । কিন্তু এই অবৈধ ছুটি আমরা নিতে চাই না ।”

বিশ্বকবি রবিন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৯ তম জন্ম জয়ন্তী উৎসব পালিত হল ইটাহারে👇👇👇

নিজস্ব প্রতিবেদক, বেঙ্গল নিউজ২৪x৭,ইটাহার :

বিশ্বকবি রবিন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৯ তম জন্ম জয়ন্তী উৎসব সারম্বে পালিত হোল ইটাহারে। এদিন সকাল সকাল নাগাদ ইটাহারে বিভিন্ন সরকারী প্রতিষ্ঠান সহ বেসরকারী প্রতিষ্ঠান গুলো কবি গুরুর জন্ম উৎসব পালন করা হয়।কোথাও কবি গুরুর ছবিতে মাল্যদান আবার কোথাও বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পালন করা হয়।

এদিন ইটাহার ন্যাশনাল মিশন স্কুল, বানবোল হাইস্কুল, দুগা’পুর পাবলিক স্কুল সহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ে কবি গুরুর জন্মদিন উৎসব কে ঘিরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে সাংস্কৃতি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়ে থাকে ফলে বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা বিভিন্ন প্রতিযোগিতা মূলক অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহন করেন, উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মহম্মদ সারওয়ারদি, বানবোল হাইস্কুলে ছিলেন, সহকারী প্রধান শিক্ষক চন্দ নারায়ন সাহা প্রদিপ চন্দ্র দুগা’পুর পাবলিক স্কুলে ছিলেন পিনসিপাল সুরজ জয় সোয়াল, সভাপ্রতি শ্যামল ব্রম্ব, সহ অন্যন্য বিশিষ্ট ব্যাক্তিরা।

আজ কবিগুরুর রবিন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন তাঁর সম্পর্কে এই তথ্যগুলি আপনাকে অনুপ্রাণিত করবে👇👇👇

ওয়েব ডেস্ক, বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭:

বাঙালি মননে, চিন্তায় কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর চিরন্তন হয়ে রয়েছেন। তাঁর কর্মব্যাপ্তি শুধু নয়, অতুলনীয় জীবনবোধই তাঁকে সর্বযুগের সেরা কবি-লেখকের স্থলাভিষিক্ত করেছে। লেখনীর এমন কোনও মাধ্যম নেই যেখানে কবির বিস্তার ঘটেনি, এবং শুধু বিস্তার নয়, নিজের লেখনীর মাধ্যমে তাকে জয় করেছেন তিনি।

মূর্তি পূজায় বিশ্বাস করতেন না। বিশ্বাস ছিল না পুঁথিগত শিক্ষায়ও। প্রথাগত শিক্ষাকে যেমন নিজে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন, তেমনই পরের প্রজন্মও যাতে সেই পথে হাঁটতে পারে সেজন্য বীরভূমের শান্তি নিকেতনে তৈরি করেছিলেন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। এহেন বিশ্বকবির শুভ জন্মদিনে বাঙালি আজীবন তাঁকে শ্রদ্ধায় স্মরণ করে চলেছে, এবং করেও যাবে। জন্মদিনে কবিগুরুকে নিয়ে কিছু কম জানা তথ্য জেনে নেওয়া যাক একনজরে।

জন্মদিন নিয়ে বিভ্রান্তি
গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জন্মেছিলেন ৭ মে ১৮৬১ সালে। তবে বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী তারিখটা ছিল ২৫শে বৈশাখ। আর এই বৈশাখ মাসের ২৫ তারিখটিকেই ধরে নিয়ে কবিগুরুর জন্মদিন পালিত হয় যা হল ৯ মে। ফলে রবিঠাকুরের জন্মদিন নিয়ে ইংরেজি ও বাংলা মতে বিভ্রান্তি রয়ে গিয়েছে।

প্রথম নন-ইউরোপীয় হিসাবে নোবেল জয়
কবিগুরু ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের জন্য নোবেল পুরস্কার পান। গীতাঞ্জলির বাংলা থেকে ইংরেজি অনুবাদ করেছিলেন তিনি। এবং তার জন্য প্রথম ভারতীয় শুধু নয়, প্রথম নন ইউরোপীয় হিসাবে এই পুরস্কার তিনি লাভ করেন। তবে দুর্ভাগ্যবশত ২০০৪ সালে বিশ্ব ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নোবেল পুরস্কার চুরি যায়। যা আজও খুঁজে পাওয়া যায়নি।

১৯২১ সালে শান্তিনিকেতনের শুরু
প্রথাগত শিক্ষাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শিক্ষাকে ক্লাসরুমের বাইরে নিয়ে উন্মুক্ত করেছিলেন। বীরভূমে বিশ্বভারতী তৈরি করার জন্য নোবেল পুরস্কারের মূল্য ছাড়াও সারা বিশ্ব থেকে অনুদান সংগ্রহ করা হয়েছিল। পরে ১৯৫১ সালে বিশ্বভারতীকে কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা দেওয়া হয়।

তিনটি দেশের জাতীয় সঙ্গীতের রচয়িতা
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভারত ও বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের রচয়িতা তা অনেকেই জানেন। তবে তিনি যে শ্রীলঙ্কার জাতীয় সঙ্গীতও লিখেছিলেন তা অনেকেই জানেন না। ১৯৩৮ সালে কবির লেখা গান ‘নম নম শ্রীলঙ্কা মাতা’ তাঁরই এক ছাত্র পরে সিংহলী ভাষায় অনুবাদ করেন। এবং সেটাই ১৯৫১ সালে শ্রীলঙ্কার জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে প্রতিষ্ঠা পায়।

গান্ধী ও আইনস্টাইনের সঙ্গে বন্ধুত্ব
মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীজিকে মহাত্মা নাম দিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরই। তাঁদের মধ্যে নিবিড় বন্ধুত্ব ছিল। তবে নানা ইস্যুতে গান্ধীর বিরোধিতায়ও সরব হয়েছেন কবিগুরু। অন্যদিকে অ্যালবার্ট আইস্টাইনের সঙ্গে ১৯৩০-৩১ সালের মধ্যে চারবার দেখা হয়েছে কবিগুরুর। দুজনে একে অপরের কাজের প্রশংসাই বরাবর করেছেন।

স্বামীজির উত্তরসুরী
স্বামী বিবেকানন্দের পর দ্বিতীয় ভারতীয় হিসাবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্ব ধর্ম মহাসভায় ভাষণ দেন। ১৯২৯ ও ১৯৩৭ সালে এই দু’বার তিনি ভাষণ দিয়েছিলেন

২১শে মে মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলপ্রকাশ, জানাল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ

নিজস্ব প্রতিবেদক বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭:

মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হবে ২১ মে। সকাল ৯টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফে। সকাল ১০টা থেকে wbbse.org, wbresults.nic.in ওয়েবসাইট ও এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল জানতে পারবেন পড়ুয়ারা।

এই বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ১২ ফেব্রুয়ারি। শেষ হয় ২২ ফেব্রুয়ারি। এই বছর মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১০ লক্ষ ৬৪ হাজার ৯৮০।

Design a site like this with WordPress.com
Get started