পুলিশের তৎপরতায় ইটাহারে চুরি যাওয়া মোবাইল উদ্ধার ,জানুন বিস্তারিত👇👇👇

নিজস্ব প্রতিনিধি, বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭:

২২ মে ইটাহারঃ পুলিশের তৎপরতায় ইটাহার থেকে উদ্ধার মুরশিদাবাদ জেলার ব্যাবসায়ীর এক মোবাইল ফোন। জানাযায়, মুর্শিদাবাদ জেলার জঙ্গীপুর এর নিবাসী মনজিৎ সিং পেশায় হোটেল ব্যাবসায়ী। হোটেল থেকে মনজিৎ সিং এর দামি কোম্পানীর মোবাইল ফোন চুরি হয়ে যায়। তিনি মোবাইল ফোনটি ফিরে পেতে লিখিত অভিযোগ করেন লোকাল থানায়। সেখান কার পুলিশ তদন্ত শুরু করে টাওয়ার লোকেশন দেখে জানতে পারে মোবাইটি উত্তর দিনাজপুর জেলার ইটাহার থানা এলাকায় আছে। মুর্শিদাবাদের পুলিশ ইটাহার থানার পুলিশের সাথে যোগাযোগ করেন, ও ইটাহার থানার পুলিশের কাছে আসে মনজিত সিং বুধবার, ইটাহার থানার মেজবাবু সমর রায় নেতৃত্বে ইটাহার থানার ঘেড়া গ্রামের এক যুবকের কাছ থেকে ওই চুরি যাওয়া মোবাইল উদ্ধার করে তবে পুলিশ সেই যুবকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পারে ৭ হাজার টাকার বিনিময়ে সে ওই মোবাইল গ্রামের যুবক ইসলাম এর কাছ থেকে কিনেছে। ইসলাম পলাতক থাকায় পুলিশ তাকে আটক করতে পারেনী। উল্লেখ্য, ওই ব্যাবসায়ীর হোটেলে বেশ কয়েক বছর থেকে কাজ করতো ইটাহার থানার ঘেড়া গ্রামের যুবক ইসলাম আলী। কিন্তু গত এক মাদ আগে ছেলেটি ইটাহারের বাড়িতে চলে এসেছে।

ইটাহার থানার পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে আজকে ব্যাবসায়ী মনজিৎ সিং এর হাতে তার হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন তুলে দেয়। পুলিশের এই কাজে খুশি হয়ে ইটাহার থানার অফিসার দের ধন্যবাদ জানিয়েছেন ব্যাবসায়ী। তিনি জানান, আমি হোটেলের ব্যাবসা করি মুর্শদাবাদের জঙ্গীপুরে। কিছু দিন আগে আমার ৩০ হাজার টাকার মোবাইল চুরি হয়ে যায়।আমার হোটেলে ইসলাম নামে একটি ছেলে কাজ করতো। সে কিছু দিন ধরে বাড়িতে আসে, পুলিশ আমার মোবাইটি উদ্ধার করে আমাই দিয়েছে তাদের আমি তাদের ধন্যবাদ জানায়। ইটাহার থানার ওসি অভিজিত দত্ত বলেন ভিন জেলার এক ব্যাবসায়ীর মোবাইল চুরি অভিযোগ ছিল তা উদ্ধার করে দেওয়া হোল অভিযুক্তর খোজ শুরু হয়েছে।

অজ্ঞাতপরিচয় এক মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য পুরাতন মালদায়

নিজস্ব প্রতিনিধি, নিউজ দুনিয়া ২৪x৭,মালদাঃ

নদীর তীরে আজ সকালে মৃত্যদেহ ভেসে উঠাকে কেন্দ্র করে পুরাতনমালদায় চ্যাঞ্চল ছরাই খবর পেয়ে মালদা থানার পুলিশ ছুটে আসে তদন্ত শুরু করেছে৷ মহানন্দা নদীর তীরে এক দেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা৷এই ঘটনায় মহানন্দা নদীর মানুষ ভিড় জমায়েত হয় মৃতদেহ দেখার জন্য ।মহানন্দানদীর এক প্রান্ত ইংরেজবাজার থানা, অপর প্রান্ত মালদা থানা তাই একটু অসুবিধে হয় পরে সমাধান হয়। প্রাথমিকভাবে স্থানীয়দের অনুমান হাত-পা বেঁধে ওই ব্যক্তিকে খুন করা হয়েছে৷ ওই ব্যক্তির নাম পরিচয় এখন জানা যায়নি তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলে হাসপাতালে বিক্ষোভ রোগীর পরিজনদের 👇👇👇

নিজস্ব প্রতিনিধি, বেঙ্গল নিউজ২৪x৭,মালদা :

মালদার মানিকচক থানার মথুরাপুর এলাকার বোচাহি গ্রামের বাসিন্দা বিল্টু মন্ডল(৬)বাবা শৈলেস মন্ডল বলেন সোমবার দুপুর বেলা বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে বিদ্যুৎতের খুটি থেকে তড়িতাহন হয় বিল্টু মন্ডল তরঘরি তাকে উদ্ধার করে মানিকচক গ্রামীন হাসপাতালে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করে।পরিবারের লোকেরা বিল্টু মন্ডলের দেহ বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে এসে তারা বাড়িতে গায়ে ও পায়ে তেল মালিশ করতে থাকে পরিবারের তরফে বলেন সে সময় হঠাৎ নাড়াচাড়া করে। এরপরে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা বাসিন্দারা হস পরিবারের লোকেরা তাদের অভীযোগ তুলে চিকিৎসায় গাফিলতি হয়েছে বলে চরাও হয় মানিকচক থানার পুলিশ খবর পেয়ে ছুটে আসে ওসি দেবব্রত চক্রবর্তীর সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এই ঘটনার প্রসঙ্গে হসপিটালের বিএমওএইচ হেমনারায়ন জানান আমাদের চিকিৎসার কোন গাফিলতি হয়নি এই নিয়ে ঘটনার তদন্তে নেমেছে মানিকচক থানার পুলিশ।

হরিশ্চন্দ্রপুর দৈনিক বাজারে বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত, ক্ষোভে ফুঁসছেন বাসিন্দারা👇👇

তুহিন, বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭, হরিশ্চন্দ্রপুর:

মালদহ জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের দৈনিক বাজার দু’টি পরিকাঠামোগত নানান সমস্যায় দীর্ঘদিন ধরেই ধুঁকছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিদিন সেখানে বাজার করতে গিয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বাসিন্দাদের দাবি, স্থানীয় প্রশাসনের কাছে এই বিষয়ে একাধিকবার অভিযোগ জানানোর পরেও কোনও কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।
হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান তৃণমূল কংগ্রেসের রিসবা খাতুন বলেন, জায়গা খুব ছোট হওয়ায় বাজার চত্বর ঘিঞ্জি হয়ে আছে। অত্যন্ত সংকীর্ণ জায়গায় সবরকম পরিকাঠামো করা সম্ভব হয়নি। জায়গার অভাবে জল নিকাশি নালাও করা যায়নি। তবে বাজার চত্বরের সার্বিক উন্নয়নে গ্রাম পঞ্চায়েত আগামী দিনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সদর এলাকায় দৈনিক বাজার দু’টি জায়গায় রয়েছে। একটি হরিশ্চন্দ্রপুর হাইস্কুলের কাছে যা ডেলি মার্কেট নামে পরিচিত। অপরটি থানার সামনে বসে। ডেলি মার্কেটের জায়গা খুব ছোট হওয়ায় ওই বাজার চত্বর ঘিঞ্জি হয়ে আছে। ফলে ভিড় বাড়লে চলাচল করতে ও কেনাকাটা করতে সমস্যা হয়। এলাকার মানুষকে দৈনন্দিন আনাজপাতি কেনাকাটা করতে বাজারে যেতে হয়। কিন্তু বাজারে যাওয়া মানেই দুর্ভোগের মুখে পড়া। বাজারে কোনও জল নিকাশি ব্যবস্থা নেই। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই বাজার চত্বরে জল জমে যায়। জলকাদা ভেঙে বাসিন্দাদের বাজার করতে হয়। স্থায়ী কাঠামোযুক্ত কয়েকটি দোকানপাট আছে। যা দীর্ঘদিন আগে তৈরি করা হয়েছিল। সম্প্রতি কোনও স্থায়ী কাঠামো তৈরি না হওয়ায় ত্রিপল দিয়ে অস্থায়ীভাবে দোকান খোলা হয়। এমন প্রচুর দোকানপাট গজিয়ে ওঠায় বাজার চত্বর একেবারে ঘিঞ্জি হয়ে গিয়েছে। এছাড়াও স্থানাভাবের জন্য রাস্তার ওপরে দোকান বসে। বাজারে একটিমাত্র শৌচালয় থাকলেও সেটি ভেঙে পড়েছে। নিয়মিত সেটি পরিষ্কার করা হয় না।
দৈনিক বাজারে যাওয়ার রাস্তারও দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থা রয়েছে। গোলা মোড় থেকে গোপাল কেডিয়া মোড় পর্যন্ত রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরেই ভেঙেচুরে আছে। এই রাস্তা অতিক্রম করেই স্থানীয় বাসিন্দাদের দৈনিক বাজারে যাতায়াত করতে হয়। রাস্তা সংস্কার করার কোনও উদ্যোগ প্রশাসন নেয়নি বলে অভিযোগ উঠছে। এসমস্ত কারণেই স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভে ফুঁসছেন।
হরিশ্চন্দ্রপুর থানার সামনে একটি দৈনিক বাজার বসে। এই বাজারটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কোনও সরকারি উদ্যোগ নেই বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের। অস্থায়ী ছাউনি দিয়ে দোকানপাট চালান ব্যবসায়ীরা। বৃষ্টি হলে ত্রিপল দিয়ে কোনওরকম জল আটকানো হয়। একপ্রকার ভিজেই ক্রেতা-বিক্রেতাদের কেনাবেচা করতে হয়। রাস্তা, জল নিকাশি ব্যবস্থা কিছুই নেই এখানে। সামান্য বৃষ্টিতে বাজার চত্বরে জল জমে যায়। জলকাদা ভেঙেই মানুষকে বাজার করতে হয়। তাই এলাকার বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরেই দৈনিক বাজার দু’টির পরিকাঠামো উন্নত করার দাবি করে আসছেন।

চাঁচলে বিধ্বংসী আগুনে পুড়ে ছাই চারটি ঘর👇👇👇

তুহিন, বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭, চাচোল:

১৮ মেঃ বিধ্বংসী আগুনে পুড়ে ছাই হল দুটি পরিবারের চারটি ঘর। আনুমানিক ক্ষতির পরিমান ১০ লক্ষেরও বেশি। ঘটনাটি ঘটেছে চাঁচল ২ ব্লকের মালতীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের গঙ্গাদেবী গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাত সাড়ে ন’টা নাগাদ স্থানীয় আমজাদ আলি ও তাঁর ছেলে আনারুল ইসলামের ঘরে আগুন লাগে। প্রথমে আমজাদের গোয়াল ঘরে আগুন লাগে। এরপর আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পাশের ঘরগুলিতে। গ্রামবাসীরাই দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। অভিযোগ, খবর দেওয়া সত্ত্বেও দমকল বিভাগ থেকে কোনো সাহায্য আসেনি। স্থানীয় বিধায়ক আলবেরুণী শনিবার সকালে ওই দুটি পরিবারের হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন। চাঁচল ২ ব্লকের বিডিও অমিতকুমার সাউ জানিয়েছেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজনে ক্ষতিগ্রস্তদের পাকা বাড়ি তৈরি করে দেওয়া হবে।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙায় পথ প্রদর্শকের পক্ষ থেকে অভিনব প্রতিবাদ করলেন 👇👇👇

সৌগত মন্ডল,বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭,রামপুরহাট-বীরভূম:

(সাঁইথিয়া-বীরভূম):
গত মঙ্গলবার রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝখানে কলকাতার বিদ্যাসাগর কলেজ, বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার তীব্র প্রতিবাদ জানাল সাঁইথিয়ার পথ প্রদর্শক নাগরিক মঞ্চ। আজ রাত্রে তারা নিজেরাই পোস্টার লিখে, সাঁইথিয়া শহরের প্রতি মোড়ে মোড়ে পোস্টারিং করে শহরের বিভিন্ন জায়গায়,যেমন- রেলস্টেশন, ইউনিয়ন বোর্ড মোড়, বাসস্ট্যান্ড, থানার সামনে, রেলব্রীজ, পালির মোড় সহ একাধিক জায়গায় এই নোংরা রাজনীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়, তাদের পোস্টারে উঠে আসে, “আজ ভাঙছে বিদ্যাসাগর,কাল ভাঙবে নেতাজি , গুন্ডারা দেশ চালাচ্ছে আর শিক্ষিতরা খেলছে পাবজি” । তাদের এমনটাও দাবি, যদি এই অবস্থার পরিবর্তন না হচ্ছে আর শিক্ষিত সমাজ যদি রাজনীতির হাল না ধরে আগামী দিনে এর থেকেও ভয়াবহ হাল হবে। পথ প্রদর্শক এর পক্ষ থেকে অরণ্য পাল ও অরূপম দাস জানাই, “আমরা ছোট থেকে বিবেকানন্দ, বিদ্যাসাগর নেতাজির আদর্শে বড় হয়েছি, আর আজকে তাদের কে নিয়েও যদি রাজনীতি করা হয়, তবে এর থেকে নোংরা জিনিস হয়না বলেই মনে হয়, যার তীব্র প্রতিবাদ জানানো জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি যুব সমাজ।

সন্ধ্যা নামতেই রাস্তার ধারে বসে মদ ও ব্রাউন সুগারের আসর👇👇👇

 

তুহিন, বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭, হরিশ্চন্দ্রপুর :

সন্ধ্যা নামলেই এই রাস্তার ধারে বসে মদ ও ব্রাউন সুগারের আসর।প্রশাসনের নেই কোনো হেলদোল ।রাস্তাটি হরিশ্চন্দ্রপুর – ১ নং ব্লকের মহেন্দ্রপুর জিপির অন্তর্গত বনসরিয়া মোড় থেকে শুরু করে রামপুর, রামরায় হয়ে হরিশ্চন্দ্রপুরে ঢ়ুকেছে।

সন্ধ্যার পর শুরু হয় মাতালদের আড্ডা।লোকেরা ভয়ে এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে পারে না।প্রায় ঘটে ছিনতাইয়ের মতো ঘটনাও।প্রতিদিন রামপুর ভবানীপুর, বনসরিয়া ও হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামের প্রায় পাঁচ হাজার লোকের যাতায়াত ।এই রাস্তা দিয়েই হরিশ্চন্দ্রপুর থানা, হাসপাতাল ও ব্লকে যাতায়াত করেন স্থানীয় লোকেরা ।

রাস্তাটির দুই ধারে রয়েছে চাষিদের হাজার হাজার একর জমি।নেশাখোরদের ভয়ে চাষীরা জমিতে গভীর রাত পর্যন্ত শস্য পাহারায় থাকতে পারে না ।সকাল হতেই জমিতে পরে থাকতে দেখা যায় কাচের ভাঙা মোদের বোতল ।

স্থানীয় চাষীরা জানান, প্রায় এক বছর আগে এটি ছিল কাঁচা রাস্তা।বর্ষার সময় হাটু পর্যন্ত কাদা হয়ে যেত ।গ্রীষ্মকালে উড়ত ধূলো-বালি।রাস্তাটি পাকা হওয়ার পর থেকে এলাকার লোকেদের যাতায়াতের সুবিধা হলেও সন্ধ্যার পর থেকে নেশাখোরদের আড্ডায় সন্ত্রস্ত ।রাস্তাটির মধ্যে রয়েছে একটি পুরনো বটগাছ ।দিনের বেলা চাষী, শ্রমিক ও পথিকরা এই বটতলা ছায়ায় বসে বিশ্রাম করত ।এখন আর তত দেখা যায় না ।

তারা আরও জানান,দূর গ্রাম থেকে বাইক, টোটো, অটোই করে মাতালরা মদের বোতল সঙ্গে নিয়ে আসে ।গভীর রাত পর্যন্ত চলে তাদের আড্ডা।তাদেরকে কিছু বলার কারও সাহস নেই ।

এলাকার লোকজনদের অভিযোগ হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পাশেই কিভাবে চলছে মাতালদের আড্ডা ।রাত্রে পুলিশের টহলদারি হলেই আশাকরি তাদের আড্ডা কমে যাবে ।

কৃষি জমির মাঠে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ৬ টি গরুর মৃত্যু, এলাকায় চাঞ্চল্য👇👇👇

IMG-20190516-WA0019.jpg

বুধবার সকালে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া ২ নং ব্লকের করুই গ্রাম সংলগ্ন কৃষি জমির মাঠে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ৬ টি গরু মারা গেছে ।এলাকায় চাঞ্চল্য দেখা যায়। বিশেষ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সন্ধ্যাবেলার ঝড়ে মাঠে বিদ্যুতের তিন চারটি খুঁটি উপড়ে পড়ে যায়। আজ সকালে গরুগুলি মাঠে চরানোর জন্য ছেড়ে দিয়েছিলেন স্থানীয় গ্রামবাসী কার্তিক মাঝি, মিঠুন মাঝি, নারায়ণ দাস ও বুড়ি মাঝি । সূত্র মারফৎ জানা গেছে, তখনই এই বিপত্তি ঘটে।স্থানীয়রা বিদ্যুৎ দফতরে খবর দেন।
পরে বিদ্যুত দফতরের কর্মী, আধিকারিকরা পরিদর্শনে আসেন । করুই গ্রাম পঞ্চায়েত এর সদস্য সুকেশ চ্যাটার্জি গ্রামের গরিব প্রাণী পালকরা যাতে কিছুটা ক্ষতিপূরণ পান তার জন্য বিদ্যুত দফতর সহ অন্যান্য সরকারি দফতরে তদবির করছেন বলে জানা গেছে ।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করল কালনা ২নং ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কমিটির👇👇👇

IMG-20190516-WA0003.jpg

বৃহস্পতিবার সকাল ৮ ঘটিকায় সিঙ্গারকোন ব্যাঙ্ক বাজার থেকে বিজেপি-এর গুন্ডাদের দ্বারা কলকাতায় বাঙালির প্রাণ পুরুষ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হলো । উক্ত প্রতিবাদ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন কালনা ২নং ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কমিটির সভাপতি মাননীয় শ্রী প্রণব রায়, পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল কংগ্রেস আদিবাসী সেলের চেয়ারম্যান মাননীয় দেবু টুডু , কালনা ২নং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নীলিমা কপ্টী এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ব্লকের নেতৃবৃন্দ, কর্মী ও সমর্থক বৃন্দ ।

ফের বীরভূমে আতঙ্ক ট্যারেন্টুলার ভয়ে, জানুন বিস্তারিত👇👇👇

  • সৌগত মন্ডল,বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭,
    রামপুরহাট-বীরভূম:

(ময়ূরেশ্বর-বীরভূম) :
গতকা রাত্রি ৯:৩০ নাগাদ বীরভূমের ময়ূরেশ্বর থানার অন্তর্গত কোটাসুর গ্রামে করুণা সিন্ধু রায়ের পরিবার একসাথে রাতের খাবার খেতে বসে ৷ করুনা বাবুর স্ত্রী শিবানী রায় দেখতে পান যে তাদের বাড়ির সামনের দেওয়ালে বড় আকারের মাকড়সার মতো ঘোরাঘুরি করছে ৷ করুনা বাবু মাকড়সাটাকে দেখতেই মনে পড়ে যায় তার বছরখানেক আগে কার কথা , কারণ তার বাড়িতে এর আগেও গত বছর দুবার এরকমই মাকড়সার দেখা মিলেছিল ৷ তিনি তখন না না খবরের চ্যানেলে দেখেছিলেন যে এটি একটি বিষাক্ত প্রজাতির মাকড়সা , তাই এদিন তিনি মাকড়সা টি কে সঙ্গে সঙ্গে একটি কৌটো বন্দী করে রেখেছেন ৷ আবারো বছর ঘুরতে না ঘুরতেই মাকড়সাকে ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে ৷

Design a site like this with WordPress.com
Get started