অসহায় যুদ্ধ-বিধ্বস্ত মুসলমানদের ইফতারের জন্য রোনাল্ডো ১২০০ কোটি টাকা দিলেন👇👇👇

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭:

অসহায় যুদ্ধ -বিধ্বংসী মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর জুড়ি মেলা ভার।

এবার তিনি পাশে দাঁড়িয়েছেন মুসলমানদের।

ফিলিস্তিনের যুদ্ধ-বিধ্বস্ত মুসলমানদের ইফতারের জন্য ১২ কোটি টাকা দিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।
শুরু হয়েছে মুসলমানদের পবিত্র মাস মাহে রমজান। এই মাসে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য দীর্ঘ ৩০ দিন সাওম পালন করে থাকেন সারাবিশ্বের মুসলমানরা।

যদিও রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারনে এবার আর আগের মতো শান্তিতে রোজা রাখতে পারছে না ফিলিস্তিনের জনগন।

সেই কারণে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ফিলিস্তিনের মুসলমানদের ইফতারের জন্য নিজেই ১২০০ কোটি টাকা দিয়েছেন এই পর্তুগিজ খেলোয়ার ।

৩ বছর ধরে রোজা রাখতে পারছেন না উইঘুরের মুসলিমরা জেনে নিন বিস্তারিত👇👇👇

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭:

পবিত্র রমজান মাসে বিশ্বের প্রতিটি দেশেই মুসলমানরা রোজা রাখছেন। নরওয়ে, আইসল্যান্ড হয়ে ফিজি সব দেশেই মুসলিমরা রমজানের ইবাদতে অংশ নিতে পারলেও চীনে মুসলিমদের এ সুযোগ কেড়ে নেয়া হয়েছে।
দেশটির কমিউনিস্ট সরকার রমজানে উইঘুরের মুসলিমদের রোজা রাখার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। খবর ডনের।
চীনের অন্যান্য প্রদেশে আইনটি কার্যকর হলেও জিনজিয়াংপ্রদেশে এর প্রবণতা বেশি। উপবাস বা ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের প্রতি বিশেষ আগ্রহকে চরমপন্থার প্রতীক হিসেবে দেখে চীন সরকার।
রমজান উপলক্ষে জিনজিয়াংয়ের খাদ্য অধিদফতরের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, অন্যান্য সময়ের মতো রমজানেও খাবার জায়গাগুলো খোলা থাকবে। এ ছাড়া রমজানে রোজা, তারাবির জন্য রাত্রি জাগরণ ও অন্যান্য ধর্মীয় বিষয় পরিহার করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
সি উইঘুর নামে একটি ওয়েসবাইটের তথ্যমতে, পৃথিবীতে চীনই একমাত্র দেশ, যেখানে মুসলমানদের রোজা রাখতে রাষ্ট্রীয়ভাবে নিষেধ করা হয়েছে। বিগত তিন বছর ধরে জিনজিয়াংয়ের উইঘুরের মুসলমানদের রোজা রাখার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
অন্য সূত্রে জানা যায়, রমজান মাসে সরকারি দফতর, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও স্কুলগুলোতে মুসলিমদের বিশেষ নজরদারিতে রাখা হয়।
গত বছরের আগস্টে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক কমিটি জানিয়েছিল, চীন সরকার দেশটির ১০ লাখ উইঘুর মুসলিমকে বন্দিশিবিরে আটকে রেখেছে।
চীনের জাতিগত উইঘুর মুসলমানদের বেশিরভাগ সে দেশের জিনজিয়াংপ্রদেশে বসবাস করেন। প্রদেশের প্রায় ৪৫ শতাংশ জনগোষ্ঠী উইঘুর সম্প্রদায়ের।
জিনজিয়াংয়ের মুসলিম সংখ্যালঘুদের ব্যাপকহারে আটক করা হচ্ছে বলে গত কয়েক মাস ধরে এ খবর ছড়িয়ে পড়ে।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মতো আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো জাতিসংঘের ওই কমিটির কাছে নানা তথ্যচিত্র তুলে ধরে দাবি করেছে, চীনা মুসলমানদের বন্দিশিবিরে আটকে রেখে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করতে বাধ্য করা হচ্ছে।
উইঘুর মুসলমানদের আন্তর্জাতিক সংগঠন ওয়ার্ল্ড উইঘুর কংগ্রেস বলেছে- বন্দিদের কোনো অভিযোগ গঠন ছাড়াই আটকে রাখা হচ্ছে এবং সেখানে তাদের চীনা কমিউনিস্ট পার্টির স্লোগান দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। বন্দিদের ঠিকমতো খেতে দেয়া হয় না এবং ব্যাপকভাবে নির্যাতন করা হয়।

উৎস – ইসলামিক অনলাইন মিডিয়া

মহাকাশ থেকে শুধু মক্কা আর মদিনা দেখা যাচ্ছিল, বাকি সব অন্ধকার : মহাকাশচারী সুনিতা উইলিয়াম

বনি ডেনস, বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭:

নিজস্ব প্রতিবেদক,বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭:

মহাকাশে অঙ্গনে ঘটে যাওয়া ঘটনা সম্পর্কে সুনিতা উইলিয়াম নিজেই বলেছেন যে, ‘আমি যখন পৃথিবী থেকে প্রায় ২৪০ মাইল উপরে উঠলাম, তখন পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে পৃথিবীপৃষ্ঠে দুটি তারা (আলো) দেখতে পেলাম।

এরপর একটি টেলিস্কোপের মাধ্যমে আলো দুটি দেখার চেষ্টা করলে দেখি, একটি আলোর অবস্থান মক্কায় আর অন্যটি মদিনায়। এই দৃশ্য দেখার পর আমি প্রচণ্ডভাবে অভিভূত হই এবং তখনই ইসলাম গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিই। পরে ইসলাম গ্রহণ করি ফিরে এসে।

একটি নভোযান পাঠানো হলো বরাবরের মতোই মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা থেকে। ২০০৬ সালের কথা। যে অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল ছিল মহাকাশের খোঁজখবর সংগ্রহ করাই।অন্য গবেষকদের সঙ্গে সে নভোযানে অবস্থান করছিলেন সুনিতা উইলিয়াম।

মহাকাশ গবেষণাযানটি যখন পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে ২৪০ মাইল উপরে, হঠাৎ নিচের দিকে চোখ আটকে যায় সুনিতার। পৃথিবী পৃষ্ঠে তারার মতো তিনি দুটি আলো জ্বলতে দেখলেন। তখন চিন্তায় পড়ে গেলেন সুনিতা; ভাবলেন, পৃথিবীপৃষ্ঠে তো কোনো আলোকশিখা থাকার কথা নয় এভাবে জ্বলে থাকার মতো।

সঙ্গীদের ডেকে দেখালেন এবং টেলিস্কোপের সাহায্যে আলো দুটিকে নির্ণয় করার চেষ্টা চালালেন। তবে এই আলোকরশ্মি দুটি কি? নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে কষ্ট হলো সুনিতার। আরো কাছে, আরো পরিষ্কারভাবে দেখলেন, আলো দুটির কেন্দ্রস্থল পৃথিবীর মক্কা ও মদিনা।

মহাকাশমুখি এই আলোকরশ্মি দুটি বিকিরিত হচ্ছে মক্কা শহরের কেন্দ্রস্থল ও মদিনা শহরের কেন্দ্রস্থ থেকে। ভারতীয় বংশোদ্ভূত সুনিতা উইলিয়াম ১৯৬৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়ায়ো অঙ্গরাজ্যের ‘ইউক্লিডে’ জন্মগ্রহণ করেন। বাবা দীপক পাণ্ডে ও মা বনি পাণ্ডে উভয়ই ছিলেন ভারতীয় হিন্দু।

সব জল্পনা-কল্পনা এবং সন্দেহ-কানাকানির ইতি টেনে গত রমজান মাসে ওমরাহ পালন করতে এসে নিজের মুসলমান হওয়ার ঘোষণা দিলেন সুনিতা উইলিয়াম এবং গর্ব করে বললেন, ‘আমি এখন একজন মুসলমান, এটা ভাবতেই আমার ভালো লাগছে।’

নাসার প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক সুনিতার ইসলাম গ্রহণ করা বিষয়ে তাঁকে চেনেন বা জানেন এমন অনেকের মন্তব্য ছিল অনেকটাই এরকম- ‘আর কারো পক্ষে সম্ভব হলেও সুনিতার পক্ষে এটা কখনো সম্ভব নয়। কারণ সে ছিল ইসলাম বিদ্বেষী’। আর আমি এখন একজন মুসলমান।’

ইসলাম গ্রহণ করা নিয়ে শত জল্পনা-কল্পনার ইতি টেনে ওমরাহ পালন করতে আসা সুনিতা উইলিয়াম জেদ্দার হোটেল হিলটনে বসে এভাবেই ব্যক্ত করছিলেন তাঁর ইসলাম গ্রহণ করার কাহিনী। সাংবাদিকদের শোনাচ্ছিলেন তাঁর মুসলমান হওয়ার রোমাঞ্চকর গল্প। এ সময় তিনি ইসলাম গ্রহণ করার নেপথ্যে থাকা ঘটনা ব্যক্ত করার পাশাপাশি উত্তর দেন উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নেরও।

মক্কা-মদিনার দুর্লভ কিছু তথ্য: পবিত্র মক্কা ও পবিত্র মদিনা শরিফে যাবার নসিব সবার হয় না। যাদের হয় তারা বড়ই ভাগ্যবান। যারা যেতে পারেন না তারাও অধীর আগ্রহে জানতে চান এ পবিত্র দুই হারাম সম্পর্কে। আসুন, ঈমানদীপ্ত মানুষের স্বপ্নের ঠিকানা.. হৃদয়ের তীর্থস্থান..দুই হারাম শরিফের কিছু তথ্য জেনে নিই ,,,

ল্যাপল্যান্ডের মুসলমানরা ২৪ ঘন্টার মধ্যে ২৩ ঘণ্টাই রোজা রাখছেন 👇👇👇

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭:

পৃথিবীর কোনো দেশের মানুষ ১০ ঘন্টারও কম রোজা রাখেন, আবার কোনো কোনো দেশের রোজাদারেরা রোজা রাখেন দীর্ঘ ২৩ ঘন্টা!

যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, ডেনমার্ক, বেলারুশ, জার্মানি, আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ড, কাজাকিস্তান, বেলজিয়াম, চেক রিপাবলিক, অস্ট্রিয়া ও হাঙ্গেরিতে রোজা রাখার সময় প্রায় ১৯ ঘণ্টা।

আবার মাত্র ৯ ঘণ্টা ৩০ মিনিট রোজা রাখছেন আর্জেন্টিনার মুসলিম বাসিন্দারা। এছাড়াও ১০ ঘণ্টা রোজা রাখছেন অস্ট্রেলিয়ার মুসলিমরা। ১১ঘণ্টার কাঁটায়ও রয়েছে সবচেয়ে কম সময় উপবাস থেকে রোজা রাখছেন আর্জেন্টিনার পার্শ্ববর্তী দেশ ব্রাজিল।
ফিনল্যান্ডের সবচেয়ে উত্তরের শহর ল্যাপল্যান্ড এলাকায় বসবাসরত মুসলামানরা সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে রোজা রাখেন। সেখানে রাত আসে মাত্র ৫৫ মিনিটের জন্য। তাদের প্রতিদিনকার রোজার দৈর্ঘ্য হয় ২৩ ঘণ্টারও বেশি।

মিয়ানমারে বাংলাদেশ বিমান বড় সর দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেল👇👇👇

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বেঙ্গল নিউজ ২৪x ৭:


বিমান বাংলাদেশের একটি বিমান ড্যাশ-আট মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুনে অবতরণের সময় পিছলে রানওয়ের বাইরে চলে গেছে।
বিমান বাংলাদেশের একজন কর্মকর্তা শাকিল মিরাজ বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, বৈরি আবহাওয়ার কারণে বিমানটি রানওয়ে থেকে বাইরে চলে যায়।
তিনি জানান, এতে কোন প্রাণহানি ঘটেনি। তবে কয়েকজন আহত হয়েছেন। তবে তারা কতোটুকু আহত হয়েছেন সে সম্পর্কে তাদের কোন ধারণা নেই।
এসময় বিমানটিতে মোট ৩৩ জন আরোহী ছিল বলে বিমান এয়ারলাইন্স জানিয়েছে। তাদের মধ্যে চারজন ক্রু সদস্য এবং বাকি ২৯ জন যাত্রী। যাত্রীদের মধ্যে একজন শিশু ছিল বলে জানা গেছে।
শাকিল রিয়াজ বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, বাংলাদেশ সময় রাত দশটা পর্যন্ত তারা জানতে পেরেছেন যে অন্তত ১৮ জনকে চিকিৎসার জন্যে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি বলছে, বিমানটি রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়লে ১১ জন আরোহী আহত হয়েছেন।
ফেসবুকে কয়েকটি ছবি পোস্ট করা হয়েছে যাতে দেখা যাচ্ছে বিমানটি রানওয়ের পাশে ঘাসের ওপর পড়ে আছে।
এএফপির একজন ফটোগ্রাফার বলেছেন যে তিনি একজন আহত নারীকে অ্যাম্বুলেন্সে করে নিয়ে যেতে দেখেছেন।
উদ্ধারকর্মীরা আহত একজন যাত্রীকে স্ট্রেচারে করে নিয়ে যাচ্ছেন।

মিয়ানমার পুলিশের একজন কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে বার্তা সংস্থাটি বলছে, দুর্ঘটনায় একজন পাইলট, একজন বিমান সেবিকা এবং ন’জন যাত্রী আহত হয়েছেন।
বিমানটির সামনের অংশসহ দুটো পাখা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও তিনি বার্তা সংস্থাটিকে জানিয়েছেন।
বিমানের ফ্লাইট ০৬০ আজ বুধবার দুপুর ৩টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করে। ৬টা ২২ মিনিটে ইয়াঙ্গুনে অবতরণের সময় বৈরি আবহাওয়ার কবলে পড়ে।
এসময় বৃষ্টি ও ঘন ঘন বজ্রপাত হচ্ছিল বলে জানা গেছে।
শাকিল মিরাজ বলেন, যাত্রীদেরকে ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশে স্থানীয় সময় রাত দশটার দিকে বিমানের একটি স্পেশাল ফ্লাইটের ইয়াঙ্গুন যাওয়ার কথা রয়েছে।

আমেরিকানযুক্তরাষ্ট্রে স্কুলে বন্দুক হামলায় শিক্ষার্থী নিহত 👇👇👇

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বেঙ্গল নিউজ২৪x৭:

আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডোর একটি স্কুলে মঙ্গলবার সহপাঠিদের বন্দুক হামলায় এক কিশোর শিক্ষার্থী নিহত ও আরো কয়েকজন আহত হয়েছে।দেশটির সমকালীন ইতিহাসে এই শহরটি ভয়াবহ বন্দুক হামলার জন্য পরিচিত।

ডগলাস কাউন্টির শেরিফের অফিস টুইট বার্তায় জানিয়েছে, ‘অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে আমরা জানাচ্ছি যে এসটিইম স্কুলের এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে।’ ওই শিক্ষার্থীর বয়স ১৮ বছর।

এর আগে শেরিফ টনি স্পারলক বলেন, এই ঘটনায় আহত বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীর অবস্থা আশঙ্কাজনক। মোট আটজন আহত হয়েছে। কয়েকজনকে অস্ত্রোপচার করা হয়েছে।

এই ঘটনায় কোন স্টাফ বা শিক্ষক আহত হয়নি বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে সবচেয়ে কম বয়সী শিক্ষার্থীর বয়স ১৫ বছর।
এই ঘটনায় দুজন সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে।এদের একজন প্রাপ্তবয়স্ক ও অপরজন তরুণ। তারা দুজনেই এই স্কুলের ছাত্র।এই সন্দেহভাজনদের ব্যপারে আর কিছু জানানো হয়নি ।

শেরিফ আরো বলেন, এই দুই ব্যক্তি ‘পায়ে হেঁটে এসটিইএম স্কুলে পৌঁছে স্কুলের দুটি পৃথক স্থানে ছাত্রদের উপর হামলা চালায়।’
তিনি জানান, ঘটনাস্থল থেকে বন্দুক উদ্ধার করা হয়েছে।

স্পুরলক বলেন, হামলার প্রায় সাথে সাথেই স্কুল থেকে পুলিশে খবর দেয়া হয়। দুই মিনিটের মধ্যেই আমার ডেপুটিরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়।
শেরিফ আরো বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি যে কর্মকর্তারা দ্রুত স্কুলে পৌঁছানোর কারণেই আরো অনেক জীবন রক্ষা পেয়েছে।’

দ্য এসটিইএম স্কুল হাউল্যান্ডস র‌্যাঞ্চ একটি কিন্ডারগার্টেন। এখানে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত অধ্যায়নের সুযোগ রয়েছে। এটি কলোরাডোর মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত। এই স্কুলে প্রায় ১ হাজার ৮০০শ শিক্ষার্থী লেখাপড়া করে।

হামলার পর কয়েকঘন্টা স্কুল বন্ধ ছিল। বিকেল তিনটের দিকে ক্লাশ ফের শুরু হয়। কয়েকটি এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।

মেয়ের ধর্ষণকারীদের সাথে যেভাবে লড়েছিলেন এই সাহসিনী নারী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক , বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭:

নকুবঙ্গা কাম্পি দক্ষিণ আফ্রিকায় পরিচিত হয়ে উঠেছেন একজন ‘লায়ন মামা’ অর্থাৎ ‘সিংহ মা’ হিসেবে। তার মেয়ের তিন ধর্ষণকারীর একজনকে হত্যা এবং বাকি দু’জনকে মেরে আহত করার পর লোকজন তাকে এভাবেই ডাকতে শুরু করে।
এই ঘটনার পর তার বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ আনা হয়েছিল কিন্তু জনগণের প্রতিবাদের কারণে তার বিচার বন্ধ করে দিতে হয়েছে।
এর ফলে এখন তিনি তার মেয়ের সেরে ওঠার ব্যাপারে তাকে সাহায্য করার সময় পেয়েছেন।
নকুবঙ্গা কাম্পি কাছে যখন ফোনটা হলো তখন মধ্যরাত। ঘুমিয়ে ছিলেন তিনি।
রাতে বেজে উঠলো ফোন
ফোনের ওপাশে তার মেয়ে সিফোকাজি। নকুবঙ্গার কাছ থেকে ৫০০ মিটার দূরে। সিফোকাজি তার মাকে জানালেন যে তিনজন পুরুষ তাকে ধর্ষণ করেছে এবং তাদেরকে তারা সবাই বেশ ভালো মতোই চেনে।

খবরটা শুনে নকুবঙ্গা প্রথমেই তার মেয়েকে পুলিশের সাথে যোগাযোগ করতে বললেন। কিন্তু ওপাশ থেকে তিনি কোন সাড়া পেলেন না।
মা নকুবঙ্গা জানতেন পুলিশের সাথে যোগাযোগ করা হলেও দক্ষিণ আফ্রিকার ইস্টার্ন কেইপ প্রদেশের প্রত্যন্ত এই গ্রামটিতে পৌঁছাতে তাদের অনেক সময় লাগবে।
সিফোকাজি ভেবেছিলেন এরকম একটা সময়ে সাহায্যের জন্যে হয়তো তার মা-ই একমাত্র আছেন, যিনি এগিয়ে যেতে পারেন।
“আমি খুব ভয় পেয়েছিলাম। কিন্তু আমি যেতে বাধ্য হলাম কারণ সে তো আমারই মেয়ে,” বলেন মা নকুবঙ্গা।
“আমি ভাবছিলাম যখন আমি পৌঁছাবো তখন হয়তো দেখবো সে মরে পড়ে আছে। কারণ সে তো ধর্ষণকারীদের চিনতো।”
“ওই লোকগুলো যেহেতু তাকে চেনে, সে কারণে ওরা নিশ্চয়ই আমার মেযেকে মেরে ফেলতো – যাতে সে ধর্ষণের ব্যাপারে পুলিশের কাছে অভিযোগ করতে না পারে।
গ্রামের বাড়িতে মা নকুবঙ্গা।
সিফোকাজি কয়েকজন বন্ধুর সাথে দেখা করতে ওই গ্রামেরই আরেকটি বাড়িতে গিয়েছিলেন।
তিনি যখন ঘুমিয়ে ছিলেন, তার বন্ধুরা তাকে একা রেখে বাড়ির বাইরে চলে যায়। রাত দেড়টার দিকে আশেপাশের আরেকটি বাড়ি থেকে তিনজন মাতাল পুরুষ এসে তাকে আক্রমণ করে।
ছুরি নিয়ে বের হয়ে গেলেন মা
নকুবঙ্গা যে বাড়িতে থাকেন তাতে বেডরুম ছাড়াও আছে আরো দুটো ঘর। ঘুম থেকে ওঠে তিনি কিচেনে গিয়ে সেখান থেকে একটি ছুরি হাতে নিলেন।
“ছুরিটা আমি নিয়েছিলাম আমার নিজের জন্য। রাতের অন্ধকারে যখন রাস্তা দিয়ে ওই বাড়িতে হেঁটে যাবো, ভেবেছিলাম ওটা আমার জন্যে নিরাপদ হবে না। খুব অন্ধকার ছিল বাইরে। মোবাইল থেকে টর্চের আলো জ্বালিয়ে পথ দেখে দেখে আমাকে যেতে হয়েছিল।”
মা নকুবঙ্গা যখন ওই বাড়ির কাছাকাছি গিয়ে পৌঁছালেন তখন তিনি মেয়ের চিৎকার শুনতে পেলেন।
বাড়িটির বেডরুমে ঢোকার পর মোবাইল ফোনের টর্চের আলোতে তিনি দেখলেন সেই ভয়াবহ দৃশ্য – তার মেয়েকে ধর্ষণ করা হচ্ছে।
“খুব ভয় পেয়ে যাই। কোন রকমে দরজার পাশে দাঁড়িয়েছিলাম। জিজ্ঞেস করলাম তারা ওখানে কী করছে। আমাকে দেখে তারা আমার উপর আক্রমণ চালাতে ছুটে এলো। ঠিক ওই মুহূর্তে আমার নিজেকে বাঁচানোর কথা মনে হয়েছিল।”
তার পর কী কী হয়েছিল নকুবঙ্গা সে বিষয়ে আর বিস্তারিত বলতে চাইলেন না।

Design a site like this with WordPress.com
Get started