দুই মুসলিম স্বেচ্ছায় রোজা ভেঙে রক্ত দিয়ে হিন্দু রোগীকে বাঁচালেন👇👇👇

ওয়েব ডেস্ক, বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭:

আসামের বিশ্বনাথ চরিয়ালির বাসিন্দা অনিল বোরা তার ৮২ বছর বয়সী মা রেবতী বোরাকে নিয়ে হাসপাতালে আসেন গত সপ্তাহে।

কিছু পরীক্ষার পরে জানা যায় তাকে জরুরি ভিত্তিতে রক্ত দিতে হবে। রেবতীর রক্তের গ্রুপ বি নেগেটিভ। এই রক্ত খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।

ফেসবুকের মাধ্যমে একটি স্বেচ্ছায় রক্তদান সংগঠনের সঙ্গে অনিল বোরার যোগাযোগ হয় শোনিতপুরের বাসিন্দা মুন্না আনসারির সঙ্গে। গত রোববার মুন্না রোজা ভেঙে রক্ত দেন রেবতীকে।

এই বিষয়ে তিনি বলেন, আমাকে রক্ত দিতে বলা হলে আমি সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে যাই। আমাকে বলা হয় ভেবে দেখ, রোজা ভাঙতে হবে। আমি বলি রোজা ভাঙতে হলে হবে।

অনিল বলছেন, মুন্না রোজা ভেঙে আমার মায়ের জীবন বাঁচিয়েছেন। আমরা এজন্য তার কাছে সারা জীবন কৃতজ্ঞ থাকবো।

এদিকে গোলাঘাট জেলার বাসিন্দা ইয়াসিন আলী ইফতার শেষে বাবার সঙ্গে হাসপাতালে যান ওজন মাপতে। এখানে তিনি জানতে পারেন যে এক ব্যক্তি আড়াই বছরের একটি শিশুর জন্য রক্ত খুঁজছেন।

সঙ্গে সঙ্গেই রক্ত দিতে রাজি হয়ে যান ইয়াসিন। এই বিষয়ে তিনি বলেন, যদিও আমাকে রোজা ভাঙতে হয়নি, তবে প্রয়োজনে ভাঙতে দ্বিধা করতাম না।

তিনি বলেন, পবিত্র আল কুরআনে আছে একজন মানুষের জীবন বাঁচানো সবচেয়ে বড় কাজ। এজন্য রোজা যদি ভাঙতে হয়, তাতেই বা কী যায় আসে?

হিন্দু সহ ২০ জন বাঙালিকে বাংলাদেশ পাঠাল আসাম বিজেপি সরকার👇👇👇

তুহিন, বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭ :

হিন্দু-মুসলমান মিলিয়ে ২০ জন বাঙালিকে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী তকমা দিয়ে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাল আসামের বিজেপি সরকার। ৬ জন হিন্দু বাঙালি ও ১৪ জন মুসলমান বাঙালি মিলিয়ে ২০ জনকে ফেরত পাঠাল তারা।
যে বাঙালিদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হলো তারা হলেন– আলোরানী দাস, রবীন্দ্র দাস দিগেন্দ্র চন্দ্র দাস, শেখর নমঃশূদ্র, সুজিত চন্দ্র দাস, পরিমল জলদাস, ইকবাল হোসেন তালুকদার, আহমেদ উদ্দিন, মোহাম্মদ ইসাক আলী, সমীর আহমেদ, আব্দুল গফুর, চাঁদ আলী, আব্দুল লতিফ, মহম্মদ ইব্রাহিম, ফারুক মিয়া, রবিউল সর্দার, সায়েদ আল আমিন, মহম্মদ আজিমুদ্দিন, শাহ আলি মিয়া, আলিমুদ্দিন।
শনিবার করিমগঞ্জ জেলার সুতারকন্ডি বর্ডার চেকপোস্টের মধ্য দিয়ে এই ২০ জনকে বাংলাদেশের হাতে প্রত্যর্পণ করা হয়। বরাক উপত্যকা থেকে গ্রেফতার করে এদের ডিটেনশন ক্যাম্পে রাখা হয়েছিল।

দুই বছর টানা আইনী লড়াই করে রেলের কাছ থেকে ৩৩ টাকা ফেরত পেলেন যাত্রী👇👇👇

ওয়েব ডেস্ক, বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭:

দু’‌বছর ধরে ভারতীয় রেলের বিরুদ্ধে মামলা লড়েছেন তিনি। তারপরেও জিএসটির জন্য কেটে নেয়া পুরো টাকা ফেরত দিল না রেল। ৩৫ টাকা ফেরত পাওয়ার কথা ছিল তাঁর। সেখান থেকেও ‌দু’‌টাকা কেটে তাকে ভারতের রেল ফেরত দিয়েছে ৩৩ টাকা।

পেশায় ইঞ্জিনিয়ার সুজিত স্বামী (‌৩০)‌ ২০১৭ সালের ২ জুলাই গোল্ডেন টেম্পল ট্রেনে টিকিট কেটেছিলেন। কোটা থেকে দিল্লি যাওয়ার টিকিটের জন্য ৭৬৫ টাকা দিয়েছিলেন সুজিত। কিন্তু ওয়েটিং লিস্টে থাকায় সেই টিকিট তিনি বাতিল করে দেন। বাতিল টিকিটের ফেরত মূল্য হিসেবে ৬৬৫ টাকা রেল তাঁকে দেয়। কেটে নেওয়া হয় ১০০ টাকা।

জিএসটি এবং সার্ভিস ট্যাক্স বাবদ এই টাকা কাটা হয়েছে বলে রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়। কিন্তু যে সময়ে রেল তাঁর কাছ থেকে জিএসটি বাবাদ ৩৫ টাকা কেটে নেয়, তখন পুরো ভারতে চালুই হয়নি জিএসটি।

কাজেই জিএসটির সেই ৩৫ টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য রেলের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা ঠোকেন সুজিত। প্রায় দু’‌বছর ধরে চলেছে সেই মামলা।

সুজিত অভিযোগ করেছেন, তাঁর করা আরটিআই গত দু’‌বছর ধরে কমপক্ষে ১০ বার এক দপ্তর থেকে আরেক দপ্তরে ঘুরেছে। চূড়ান্ত হয়রানির পরেও অনৈতিক ভাবে কেটে নেওয়া টাকা থেকেও দু’টাকা বাদ দিয়ে ৩৩ টাকা তাঁকে ফেরত দেয় রেল। যা মানতে পারছেন না তিনি।

স্বামীর ঋণের দায়ে আত্মঘাতী স্ত্রী 👇👇👇

নিজস্ব প্রতিবেদক, বেঙ্গল নিউজ ২৪x৭,মালদাঃ

স্বামীর সাথে মাঝে মধ্যেই বাড়িতে লেগেই থাকতো বিবাদ। ইংরেজ বাজার থানার গঙ্গাবাগ এলাকার বাসিন্দা বুধবার রাতে স্বামী সাথে বিবাদ বারতে থাকে তার জেরে স্ত্রী অর্পিতা দাসগুপ্ত (৩১) আ্যসিড খেয়ে নেই রাতেই মালদা মমেডিকেল কলেজ হসপিটালের চিকিৎসা চলে বৃহস্পতিবার ভোর রাতে গৃহবধূ মৃত্যু হয়। পুলিশ সুত্রে জানাযায় মৃতের নাম অর্পিতা দাশগুপ্ত(৩১)। স্বামী শুভেন্দু দাসগুপ্ত।তাদের পরিবারে দুই ছেলে মেয়ে রয়েছে। প্রায় ১৫ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। ।অভিযুক্ত স্বামী দীর্ঘদিন ধরে জুয়া নেশায় পরিনতো হয়েছে কখনো আইপিএল বেটিং সহ বিভিন্ন জুয়ার খেলা করতো। তার জেরে লক্ষ টাকা বেশি ঋণ হয়ে পরে। এই নিয়ে মাঝে মধেই গৃহবধূকে মারধোর করত। তার জেরেই এই ঘটনা ঘটে অভিযুক্ত স্বামী পলাতক পুলিশ তদন্তে নেমেছে।

অন্য বর্ণের পাত্র কে বিয়ে করায় মেয়েকে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা করলো বাবা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বেঙ্গল নিউজ ২৪x7:

মঙ্গেশ রণসিংহে ও রুক্মিণী রণসিংহে।
রুক্মিণী রণসিংহে বয়স হয়েছিল মাত্র ১৯ বছর।
মাত্র মাস ছয়েক আগেই মঙ্গেশকে ভালবেসে বিয়ে করেছিল সে।
কিন্তু মঙ্গেশের জাত ছিল আলাদা, তাই রুক্মিণীর পরিবার ওই বিয়ে মেনে নেয় নি।
এতটাই ক্ষেপে গিয়েছিল রুক্মিণীর পরিবার, যে তার বাবা, কাকা আর মামা মিলে রুক্মিণী আর তার স্বামীকে বাড়িতে ডেকে এনে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার সিদ্ধান্ত নেয়।
ঘটনাটি ঘটছে মহারাষ্ট্রে আহমেদনগর জেলার এই ভয়াবহ ঘটনায় আরও একবার ‘অনার কিলিং’-এর বিষয়টি সামনে এসেছে।
রুক্মিণীর পরিবার তাদের বিয়েতে মত না দিলেও মঙ্গেশের বাড়ি থেকে মেনে নেওয়া হয়েছিল এই বিয়ে।
“বিয়েতে রুক্মিণীর বাড়ি থেকে শুধু তার মা এসেছিলেন,” বিবিসিকে বলছিলেন রুক্মিণীর দেবর মহেশ রণসিংহে।

একটি ঘরে একসাথে বেঁধে গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয় রুক্মিণী ও মঙ্গেশের গায়ে।
বিয়ের পরেও রুক্মিণীর পরিবার এই সম্পর্ক নিয়ে ক্ষুব্ধ ছিল।
মহেশ জানাচ্ছিলেন, “রুক্মিণী বা মঙ্গেশের সঙ্গে রাস্তায় ওদের বাড়ির কারও দেখা হলেই হুমকি দেওয়া হত। ফেব্রুয়ারি মাসে এই হুমকির ব্যাপারটা জানিয়ে রুক্মিণী আর মঙ্গেশ থানায় অভিযোগও জানিয়েছিল।”
এই অশান্তির মধ্যেই রুক্মিণীর বাবা-মা ৩০শে এপ্রিল তাকে বাড়িতে ডাকেন।
কিন্তু বাড়িতে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রুক্মিণীর ওপরে চড়াও হয় তার বাপের বাড়ির লোকেরা। মারা হতে থাকে তাকে।
সেই রাতেই রুক্মিণী স্বামীকে ফোন করে জানায় যে তার পরিবারের লোকেরা তাকে মেরেছে।
স্বামীকে অনুরোধ করে সেখান থেকে তাকে নিয়ে যেতে।
পরের দিন সকালেই মঙ্গেশ রুক্মিণীদের বাড়িতে যায়। তার আগেই উত্তরপ্রদেশ থেকে রুক্মিণীর কাকা আর মামা সেখানে পৌঁছিয়ে যায়।
বাড়িতে তুমুল অশান্তি শুরু হয়, আর তার মধ্যেই মঙ্গেশ আর রুক্মিণী – দুজনকেই মারধর করে রুক্মিণীর কাকা আর মামা।
তারপরে দুজনকে একসঙ্গে একটা দড়ি দিয়ে বেঁধে গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়।
আগুন লাগিয়ে দেওয়ার পরে ঘরের দরজা বাইরে থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
মঙ্গেশ রণসিংহে বলছিলেন, “ঘর থেকে তীব্র চিৎকার শুনে পড়শিরা ওই বাড়িতে গিয়ে দরজা খুলে রুক্মিণী আর মঙ্গেশকে উদ্ধার করেন। তারাই অ্যাম্বুলেন্স ডেকে পুনে শহরে নিয়ে গিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করান।”
হাসপাতালে ভর্তি করার সময়ে রুক্মিণীর শরীরের ৬০ থেকে ৬৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। মঙ্গেশের শরীরের প্রায় ৪৫ শতাংশ জ্বলে গিয়েছিল।
তিন দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে ৫ই মে রুক্মিণী মারা যায়।
মঙ্গেশের ভাই মহেশ রণসিংহে।
সসুন হাসপাতালের চিকিৎসক অজয় তাবড়ে বলেন, “মঙ্গেশ এখনও সঙ্কটজনক অবস্থায় রয়েছে।”
রুক্মিণীদের বাড়ির কাছেই থাকেন সঞ্জয় বেদী। তিনি বিবিসিকে বলছিলেন, “ঘর থেকে ধোঁয়া বেরচ্ছিল। চিৎকার শুনতে পাচ্ছিলাম ভেতর থেকে। শেষমেশ আমরা দরজা ভেঙ্গে ফেলে ওদের উদ্ধার করি।”
রুক্মিণীর পরিবারের সম্পর্কে খুব একটা ভাল করে জানেন না প্রতিবেশীরা। শুধু এটুকুই জানা গেছে যে ওই পরিবারটি প্রায় আট মাস আগে উত্তর প্রদেশ থেকে এখানে এসেছিল।
পুলিশ রুক্মিণীর কাকা সুরেন্দ্র ভারতী আর মামা ঘনশ্যামকে গ্রেপ্তার করেছে।
আহমেদনগরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারিন্টেডেন্ট মনীষ কলভানিয়া বলছিলেন, “রুক্মিণীর বাবা রামা রামফল ভারতী পালিয়ে গেছে। তার খোঁজে তল্লাশি চলছে। ঘটনাস্থল থেকে এক বোতল পেট্রোল উদ্ধার করা গেছে।”
তবে মঙ্গেশের ভাই মহেশ বলছিলেন, “পুলিশ যদি সময়মতো ব্যবস্থা নিত, তাহলে এই পরিণতি হত না দাদা আর বৌদির। দুটো থানায় আলাদা করে অভিযোগ জানানো হয়েছিল যে ওদের পরিবার হুমকি দিচ্ছে।”
এখন মহেশের একমাত্র আশা তার দাদা আর বৌদিকে নির্যাতনকারীদের শাস্তি হবে।

Design a site like this with WordPress.com
Get started