
ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং। পেশায় তিনি একজন চিকিৎসকও। তবে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন বলে চিকিৎসাসেবা দেওয়া বন্ধ করে দেননি। সপ্তাহে একদিন চিকিৎসাসেবা দিতে ছুটে যান রাজধানী থিম্পুর ন্যাশনাল রেফারাল হাসপাতালে। পঞ্চাশ বছর বয়সী এই মানুষটি হাতে তুলে নেন স্ক্যালপেল। সারেন কোনও না কোনও রোগীর অস্ত্রোপচারও।
ভুটানের রাজতন্ত্রের সমাপ্তি হয় ২০০৮ সালে। ২০১৮ সালে সাড়ে সাত লাখ মানুষের ভোটে প্রধানমন্ত্রী হন শেরিং।
লোটে শেরিং তার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কথা উল্লেখ করে বলেন, আমি চাকরি ছেড়ে রাজনীতিতে এসেছি। কিন্তু আমার পেশাকে ছাড়তে পারিনি। ২০১৩ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত আমি চাকরি না করে, বিদেশে না গিয়ে ভুটানের মানুষকে নিয়ে ভেবেছি। তাদেরকে বুঝতে চেষ্টা করেছি। তাদেরকে নিয়ে কাজ করেছি। তাই আজ আমি ভুটানের প্রধানমন্ত্রী।